25.12.23

বস+বয়ফ্রেন্ড

 #বস+বয়ফ্রেন্ড

.
writer. moyej uddin
............ ১.........
.
.
আজ কাল নাকি বয়ফ্রেন্ড / গার্ল ফ্রেন্ড না
থাক লে মানুষ স্মার্ট হয় না। হুহ এইসব কথার
ধার ধারিনা আমি।
আমি যেমন আছি তেমন ই ভাল। আমি এক
প্রাইভেট কম্পানিতে জব করি। সেলারি
ভালই।
জব টার খুব দরকার ছিল। অন্তত নিজের হাত
খরচের জন্য এখন আর বাবার কাছে হাত
পাত্তে হয়না। আমি অনার্স এ পড়ি । ৪ থ বর্ষ।
আর নাম মেহরিন তারা। সবাই ডাকে তারা
বলে। এখানে সব মেয়েরি বয়ফ্রেন্ড আছে।
শুধু আমারি নেই।
আর এই নিয়ে আমার থেকে তাদের মাথা
ব্যাথা বেশি।
আরে আমার নাই আমি বুঝব। তাদের এত কি
সমস্যা। কাজ করতে আসছ কাজ কর না।
আজাইরা কথা নিয়া থাকে সারাদিন। আবার
কাজ না পারলে ত আসো আমার কাছে
কিভাবে করবা দেখতে।
কিন্তু আবার আমাকে নিয়া কথা বলে আমার
পিছনে।
আর সারাদিন কে ছেকা খেল, কার নিও
বয়ফ্রেন্ড হল এইসব নিয়া থাকে। :3 আমার
জিনিস টা একদম ই ভাল লাগেনা। বয়ফ্রেন্ড
বয়ফ্রেন্ড করে যখন সবাই জালিয়ে খাচ্ছে
ভাব্লাম এদের মুখ বন্ধ করতে হবে। কিছু না
ভেবেই কলিগ দের বলে দিলাম আমার
বয়ফ্রেন্ড আছে।
বাস সবার মুখএখন থেকে বন্ধ থাকবে। কেও ত
আর দেখতে যযাবেনা সত্তিই আছে নাকি।
কিন্তু এটাই আমার বড় ভুল ছিল। এক দিন
কান্টিন এ কফি খেতে যাচ্ছিলাম সেখানে
শুনলাম সবাই ( মেয়েরা) বলা বলি করছে
তারা আমার বয়ফ্রেন্ড এর ছবি দেখতে
চাইবে। কারন তারা আমার কথা বিশ্বাস
করেনা। আমার
এক কলিগ বলছিল
লিমা: আমি তারার কথা মানতে পারছিনা। ও
কোন দিন ও এইসব নিয়ে কথা বলেনি। আগ্রহ
দেখায়নি। হঠাত বয়ফ্রেন্ড কই থেকে আসল?
কখাটা শুনে আমার কলিজার পানি সব শুখায়
গেল। আমি দুয়া দুরুদ পড়া শুরু করে দিলাম। 😐 😐
হায় আল্লাহ কোন মুছিবত এ পরে গেলাম।
কিসের জন্য যে মিথ্যা টা বলতে গেলাম।
আল্লাহ গ বাছাও আমারে।
কফি টফি বাদ দিয়া আমি দিলাম খিচ্ছা
দোড়।
আমারে আর কে পায়। 🙁 😮 😐
গেলাম মিতুর কাছে।
এই এক্টা মেয়ে এ অফিস এ আছে যে
আমাকে ভাল মত বোঝে। ও আমার এক বছর এর
ছোট।
সব বলে দিলাম অকে।
আমি এই দিকে দম নিতে পারছিনা আর ও
হাসছে। 🙁
আমি রাগে গজ গজ করতে করতে অকে বললাম
এত হাসির কি আছে। 😕 😕
তাড়াতাড়ি উপায় বল কি করা যায়। । আজ
অফিস থেকে তাড়াতাড়ি বের হয়ে গেলাম।
কাল কি করব
কি জবাব দিব ভাবছি।
রাস্তা তে দেখলাম এক দোকানের সামনে
অনেক ভিড়।
সেখানে কি হয়েছে জানতে সামনে গেলাম।
দেখি রাজপুত্রের মত একজন গাড়িতে হেলান
দিয়ে দাড়িয়ে আছে।
গাড়িটা বোধ হয় নষ্ট হয়েছে। তাই এভাবে
এখানে দাড়িয়ে আছে। ।
সব মেয়েরা যে তাকে দেখছে তার সেদিকে
হুস নাই।
মনের শুখে ফোন চলিয়ে যাচ্ছে । আরে তাতে
আমার কি।?
আমার ত বাসায় যেতে হবে। দেরি হয়ে
যাচ্ছে।
চলে আসছিলাম,,, হঠাত মাথায় একটা বুদ্ধি
এল।
যেই ভাবা সেই কাজ। 😮 😉
,
,
কিন্তু এখান থেকে ত ছবিটা ভাল আসবেনা। ,
আরেক্টু সামনে যেতে হবে।
,
সামনে যেতে লাগলাম
ফোন এর দিকে তাকিয়ে।
বাহএখন ছবিটা ভাল হয়েছে। 😮 😃
,
ফোন নামিয়ে সামনে তাকিয়ে দেখি ছেলে
আমার দিকে তাকিয়ে আছে।
হায় আল্লাহ আমি ছেলের এক হাতে দুরে।
মানে ফোন এর দিকে তাকায়
.
যেতে যেতে ছেলের এত সামনে চলে এসেছি
আমি খেয়াল ই করিনাই। 🙁 🙁 😮
,
,
ছেলে আমাকে বলল আপনি এটা কি করছেন।
আমি এখন কি উত্তর দিব ভাবছি আর ঢোক
গিলছি। 😕 🙁
,
উনাকে জোড়ে কররে বললাম অই দেখেন
আগুন লাগছে।
,
উনি অন্য দিকে তাকাতেই আমি দিলাম ভো
দোড়।
আমারে আর পায় কে।
এমন ভাবে দোড় দিসি মনে হচ্ছে কিছু চুরি
করসি,,,,
দম আটকিয়ে আসছিল। 🙁
কিন্তু আমার কাজ হয়ে গেছে। বিজয়ের
হাসি দিলাম।
আর ভাবনা নেই। 😛 😛
কাল কে এই ছবি দেখায় দিব সবাইকে। অরা
ত আর জানবে না কেএই ছেলে। বুদ্ধি টা
আসলে মিতু ই দিয়েছিল। অকে মনে মনে
ধন্যবাদ দিলাম। বাসায় যেয়ে সেই রকমের ঘুম
দিলাম। আর কোনো ভয় নেই। সকালে রেডি
হয়ে অফিস এ গেলাম। শুনলাম কাল কে থেকে
নতুন এম.ডি আসবে। . সবাই সেটা নিয়ে কথা
বলছিল। আজ আর তেমন কাজ নেই।
তাই সবাই তাড়াতাড়ি বাসায় চলে যাচ্ছে।
আমি যাব এমন সময় মেয়ে কলিগ গুলা ডাক
দিল ।
আমি গেলাম ওদের কাছে।
সুমা: তা তারা কেমন আছো? তারা: আমি
ভালই আছি।
কিছু হয়েছে???
সুমা: আসলে আমরা সবাই তোমার বয়ফ্রেন্ড
এর ছবি দেখতে চাচ্ছি।
যদি কিছু মনে না করো।
তারা: আমাকে সবাই পাগল ভাবছ তাইনা।
কিন্তু আমিও কাচা খিলাড়ি না। সব প্লান
করে রেখেছি। ( মনে মনে) । 😃 😛
ও আচ্ছা এই কথা।
তা কিছু মনে করার কি আছে। দাড়াও এখুনি
দেখাচ্ছি।
ফোন টা বের করে সেই ছেলের পিক টা
দেখলাম। 😛
আর সবার রিএকশ্ন দেখছি।
উফ কি ভাল লাগছে
সবার কালো হয়ে যাওয়া কালো মুখটা।
হাসলাম মনে মনে। 😃 🙂 😛
তারপর ফোন তা নিয়ে বের হয়ে গেলাম।
কাল কে নতুন এম.ডি আসবে। সকাল সকাল
রেডি হয়ে
সবাই অফিস এ হাজির হলাম। সবার হাতে
এম.ডি এর জন্য ফুলের তোড়া। আমার হাতেও
একটা ।
১০ টা বাজে।
নতুন এম. ডি হাজির।
সবাই তাকে গুড মর্নিং জানালো। আমি
এতক্ষন ফুলের দিকে তাকিয়েছিলাম। এখন
স্যার এর দিকে তাকালাম। আর যা দেখলাম ।
আমার চোখ কপালে উঠে গেল। একি দেখছি
আমি।
এটা কি ঠিক দেখছি আমি??? নিজের হাতে
চিমটি কাটলাম। আল্লাহ আমারে বাচাও।
আমি শেষ। 😕 🙁
এর মাঝে স্যার বলল
আমার নাম মেঘ হাসান।
আজ থেকে আমি আপনাদের নতুন এম.ডি।
তারা: আল্লাহ দড়ি ফালাও আমি উপরে উঠে
যাই। মিতুকে ডেকে বললাম মিতু আমি শেষ।
মিতু: কেন? কি হইসে? 😕
তারা: আরে আমি কাল কে অন্য দের যার
পিক দেখাইছিলাম
এই হচ্ছে সেই ছেলে ।
যে কিনা আমাদের এম.ডি।
মিতু প্রায় বেহুশ। 😕 😛
.
#বস+বয়ফ্রেন্ড
writer. moyej uddin
,,,,,,,,,২,,,,,,,,
স্যার এখন সবার সাথে পরিচিত হচ্ছে। আর
আমি দারায় দারায় ভাবছি আজি বুঝি এই
অফিস এ আমার শেষ দিন। মিতুকে বললাম
আজি মনে হয় আমার এই অফিস এ শেষ দিন
রে।
খবর এর কাজগ টা আন আমি বসে বসে অন্য
চাকরি খুজি।
স্যার আজকেই আমাকে বের করে দবে রে
মিতু: এত চিন্তা করনা কিছু হবেনা তারা:
হবেনা মানে। অরা ত ভাবছে উনি আমার
বয়ফ্রেন্ড।
এই কথা যদি স্যার কে কেও বলে দেয় আমার
ইজ্জত এর ত ফালুদা হয়ে যাবে। এর থেকে
ভাল আমি অন্য চাকরি খুজি। মিতু: আরে চুপ
থাকতো
দেখা যাক কি হয়।
পরের টা পরে ভেব।
স্যার সবার নাম শুনছেন । আর সবাই সবার নাম
বলে তার হাতে ফুল ধরিয়ে দিচ্ছেন। ।
আর আমি ভাবছি
দুনিয়াতে কি আর অফিস ছিলনা?
তাকেএইখানে এসে কেন মরতে হল। অসহ্য।
আর আমাকে সারা দুনিয়াতে তার পিক ই
তুলতে হল???
কেন কেন কেন আল্লাহ কিসের শাস্তি
দিচ্ছ।(মনে মনে)
হঠাত মিতুর ধাক্কায় হুস ফিরল। আমি বলে
উঠলাম
না আমি কিছু করি নাই।
আমাকে মাফ করেন।
চারিদিক এ তাকায় দেখি সবাই আমার দিকে
তাকায় আছে।
স্যার এর দিকে তাকালাম
সে দেখি আমার দিকেই তাকায় আছে। স্যার
জিজ্ঞাস করল
স্যার: মিস তোমার কোনো প্রব্লেম হচ্ছে??? ।
তারা: না স্যার। ন প্রব্লেম। স্যার : তা
তোমার নাম
তারা:আমার নাম? আমার নাম কি যেনো
(মিতু কে ধাক্কা দিয়ে জিজ্ঞাস করলাম) ও
মনে পড়েছে মেহরিন তারা।।
ফুল দেওয়ার জন্য এগিয়ে গেলাম। ।
মনে মনে ত দুয়া দুরুদ পরে উদ্ধার করে
ফেলতেছি।
কোনো দিন নামাজেও এত দুয়া দুরুদ পরিনাই।
আল্লাহ বাছায় দিও।
ফুল দিয়া কোনো মতে সরে আসলাম।
,
,
স্যার রুমে চলে গেলেন।
,
আমরাও
কাজ করতে বসলাম
কিন্তু আআমার কি আর কাজে মন বসে? ।
মিতু কে বল্লাম
মিতু শোন।
আমি চলে গেলে আমাকে কি তুই মিস করবি?
মিতু আরে তুমি কই যাবা?
তারা: আর কই? ?
আজকেই আমার অফিস এ শেষ দিন। দেখিস
এখনি স্যার ডাক দিবে। আর আমাকে বের
করে দিবে। বলতে না বলতেই
স্যার এর পি এ
এসে আমাকে ডাক দিল।
আর বললো স্যার ডাকছে।
আমি মিতুর দিকে
কাদো কাঁদো চোখ নিয়ে তাকিয়ে বল্লাম
দেখিসিস স্যার এর ডাক পরে গেল। ।
আজি আমার বিদায়।
যাই দেখি কি বলে।
স্যার এর রুমে র সামনে যেয়ে বল্লাম স্যার
আসতে পারি?
স্যার: হ্যা। আসো।
তারা: জি স্যার বলুন।
স্যার: তোমাকে কি আমি কোথাও
দেখেসি??
কেনো জানি চিনা চিনা লাগসে।
তারা :
( মনে মনে)
চিনা চিনা লাগবেই ত।
আমি ই তো আপ্নার পিক তুলে দোড়
দিসিলাম।
আপ্নি দুনিয়াতে আর জায়গা পান নাই।
আপ্নের এইখানেই কেন আসতে হল বলেনতো।
স্যার: মিস তারা। কিছু বলছনা যে।
তারা :
ঘোর ভেংগে যায় স্যার এর কথায়। হালকা
আক্টু হাসি দিয়ে বললাম আরে কি যে বলেন
না।
আপ্নি এতো বড়ো মাপের মানুষ। আমাকে আর
কই দেখবেন।
স্যার: অহ হয়ত আমারি ভুল। আচ্ছা কি
কাজ বাকি আছে সেই সব ফাইল আমার কাছে
আনো।
আমি একটু চেক করবো।
তারা: জি স্যার। এখুনি নিয়ে আসছি। বলেই
বের হয়ে গেলাম রুম থেকে। বুকে হাত দিয়ে
জোরে জোরে নি:শ্বাস নিচ্ছি।
আর আল্লাহ কে ডাকছি।
সবাই কে বললাম ফাইল দিতে।
লিমার কাছে গেলাম ফাইল আনতে
লিমা :
কি বেপার তারা তোমার বয়ফ্রেন্ড এতো বড়
মাপের মানুষ আমাদের ত বলনি। এর জন্য ই কি
এত দিন বয়ফ্রেন্ড এর বেপার টা এড়িয়ে
চলতে??
তারা: ( মনে মনে) আমি নিজেই জানতাম না
যে সে এত বড় মাপের মানুষ আর তোমাদের
কে যানাবো।
বয়ফ্রেন্ড ই নাই তার আবার লুকানো।
লিমা:
তারা কিছু বলছ না যে।
তারা: স্যার আমাকে
ডাকছে এখন যাই পরে সব বলবনে।
তাড়াহুড়া করে চলে আস্লাম।
আল্লাহ গ এ কি মুছিবত এ পরলাম। ।
স্যার এর কাছে গেলাম।
রমে ঢুকেই স্যার কে বললাম স্যার ফাইল গুলা
কোথায় রাখবো।
স্যার: তোমার পাশের টেবিল এ রাখো
তারা: আমি ফাইল রেখেই পিছনে ফিরেই
দেখি স্যার আমার পিছনে দাড়িয়ে আছে।
আমার ভয়ে কলিজার পানি শুকিয়ে যাচ্ছে।
সস্যার কে বললাম স্যার সরুন।
স্যার আমার কাছে আরো
এগিয়ে এসে আমার পাশে দেওয়ালে হাত
রাখলেন।
।'
তারা: আমিতো মনে মনে দুয়া দুরুদ পরা শুরু
করে দিলাম।
হায় আল্লাহ এ আবার কি হচ্ছে। আমি মাথা
নিচু করে রাখলাম।
স্যার আমার মুখটা উচু করলেন।
আমি তার চোখের দিকে তাকালাম।
সে আমার মুখটা তার দিকে এগিয়ে নিচ্ছে।
আমি চিৎকার দিতে যাব কিন্তু আমার গলা
দিয়ে আওয়াজ বের হচ্ছেনা।
ভয়ে চোখ বন্ধ করে ফেললাম।
আমার চুল গুলা রাবার দিয়ে বাধা ছিল।
স্যার রাবার টা খুলে আমার চুল টা ছাড়িয়ে
দিল।
আমি তাকে এক ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলাম।
সে গিয়ে পড়লো টেবিল এর উপর।
আমি চলে আসছিলাম।
স্যার আমাকে ডাক দিল।
ঘুড়ে দাঁড়ালাম।
দেখলাম সে টেবিল এ হেলান দিয়ে দাড়িয়ে
আছে।
স্যার: তুমি কাল কের সেই মেয়ে টা না যে
আমার সামনে ফোন ধরে ছিল? ??আমি সেটাই
জানার চেস্টা কিরছিলাম।
এখন আমি শিউর। তুমি সেই মেয়ে টাই।
কথাটা শুনার পরে আমি প্রায় বেহুশ।
আল্লাহ এটা কি হলো।
সে আমাকে চিনে ফেলেছে।
ও মোর আল্লাহ।
আমারে কেও বাচাও।
দাড়িয়ে থাক্লাম চুপ করে।


#বস+বয়ফ্রেন্ড
writer. moyej uddin
,,,,,,,,,,,,৩,,,,,,,,,
দাড়ায় দাড়ায় কি বলবো ভাবছি। ওমা স্যার
আবার কাছে আসছে কেন। রুম থেকে
তাড়াতাড়ি বের হলাম। দম আটকে আসছে। ।
নাহ আজ আর কাজ করতে পারবনা সময় ও
কাটছেনা
চেয়ারে বসে বসে ভাবছি কখন ৫ টা বাজবে
আর কখন বাসায় যাবো।
স্যার কি আমাকে জব থেকে বের করে
দিবে???
ঘড়ির কাটা এখন ৫ টায়।
সবাই বের হয়ে যাচ্ছে।
আমিও বের হলাম।
সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমেই দেখি মেয়ে গুলা
সব পার্কিং লট এ দাড়িয়ে দাড়িয়ে আমার
আর স্যার এর কথা বলছে।
।।
তারা: হায় হায় স্যার যদি এটটা শুনে ফেলে
তাহলে আমি আরো মুছিবত এ পরবো। ওদের
থামাতে হবে বলে যেই পিছনে ঘুড়লাম সেই
কার সাথে যেন ধাক্কা খেলাম। পড়ে যেতে
নিচ্ছিলাম ওমনি সে আমাকে ধরে ফেললো ।
চোখ খুলে দেখি স্যার।
স্যার এর এক হাত আমার কোমড়ে অন্য হাত
দিয়ে আমার এক হাত ধরে আছে। আমার হার্ট
বিট ১০ গুন বেড়ে গেছে। ।
কিসের যেন একটা আওয়াজ হল। চেয়ে দেখি
লিমা আমাদের এই অবস্থার একটা পিক তুলে
নিল।
চলে যাওয়ার সময় বলল কালকে পিক টা দিয়ে
দিবনে।হেসে হেসে চলে গেল সবাই। ।
স্যার আমাকে দাড় করালেন। আমি চলে যাব
আমার হাতটা ধরলেন। টানতে টানতে তার
কেবিন এ নিয়ে গেলেন। ।
দেওয়ালের সাথে আমাকে লাগিয়ে উনি
আমার সামনে দাড়ালেন। তার ২ হাত আমার ২
পাশের দেওয়ালে।
তার চোখে রাগ, আমার চোখে ভয়। ।
আমি কি বলব ভাবতে পারছিনা। ।
মাথা নিচু করে দাড়িয়ে আছি। স্যার: মাথা
উচু কর।
তারা: চুপ
স্যার: কি হল উচু করো
( ধমক দিয়ে)
তারা: আমি মাথা উচু করলাম।
স্যার: ওরা কি
বলছিল।
তারা: ক,,,,,,,,,,,,ই ,,,,,, কি,,,,,,,,,
ব,,,,,,,,,ল,,,,,,,,ছি,,,,,,ল। ( ভয়ে ভয়ে)
স্যার: আমি তোমার বয়ফ্রেন্ড? ?????
তারা:
স্যার শুনে ফেলেছে ( মনে মনে)
স্যার: কি
হল বল কিছু।
না হলে.......
তারা: না.....হ.......লে.....
স্যার: দেখবে কি করি? ?
তারা: না না সরি স্যার।
আমার ভুল হয়ে গেছে।
স্যার কে সব বলে দিলাম কেনো এই কাজ
করেছি।( মাথা নিচু করে)
তারপর স্যার এর
দিকে তাকালাম। ।।।
স্যার এবার সরে দারালেন। এতহ্মন পর মনে
হচ্ছে আমি নি:শ্বাস নিতে পারছি।
।।।
উনি চেয়ারে যেয়ে বসলেন।
আমি টেবিল এর অন্য পাশে দাড়ালাম। বার
বার ঢক গিলছি।
কি করব কি বলব বুঝতে পারছিনা। ।
স্যার: তাহলে সবাই জানে আমি তোমার
বয়ফ্রেন্ড। ?
তারা: জি। স্যার সরি।ভুল হয়ে গেছে
স্যার: ঠিক আছে বয়ফ্রেন্ড কাকে বলে আর
কেমন হয় আমি তোমাকে শিখাব। তারা:
অবাক হয়ে তাকিয়ে আছি। স্যার এটা কি
বলল।
এখন থেকে আমি যা বলবো তুমি তাই করবে।
তারা: মানে।?
স্যার : মানে হাসতে বললে হাসবে,কাদতে
বললে কাঁদবে।
উঠতে বললে উঠবে।
বসতে বললে বসবে।
বুঝলে।
????
তারা: স্যার??? কি বলছেন কি আপনি।? আমি
আর এই চাকরি করবোনা। কালকেই ছেড়ে
দিব।
স্যার: তুমি ছাড়তে চাইলেই কি আমি ছাড়তে
দিব???
তারা: স্যার? ???????
আমি এখানে আর কাজ ককরতে আসবনা।
স্যার: তাহলে আমি সবাইকে বলে দিব তুমি
ওদের মিথ্যা বলেছ।
আমি থেমে গেলাম।
তারা: ঠিক আছে বলে
দিন।
স্যার: তুমি কি যান এই রুমে সি সি ক্যামেরা
ফিট করা?
তারা: জি।
স্যার: এইখানে কি হয়েছে সবাইবকে যদি
দেখিয়ে দেই???
তারা: কথাটা শুনে আমি আর কথা বলতে
পারালাম না।
স্যার: বাসায় যাও।
কালকে যেনো অফিস এ দেখতে পাই।
।।
রাত ৯ টা।
শুয়ে আছি।
হঠাত মোবাইল এ ফোন আসলো। চেয়ে দেখি
কশাই ফোন দিয়েছে। কশাই মানে স্যার।
বাসায় আসার আগে সে আমার নাম্বার টা
নিয়েছিল।
তার নাম্বার টা আমি কশাই নামে সেভ
করেছি।
উফফফ সে এখন কেনো ফোন দিচ্ছে। তারা:
জি স্যার বলুন
স্যার: তাড়াতাড়ি নিচে নামো। আমার গাড়ি
দাড়িয়ে আছে। গাড়িতে উঠ।
তারা: মানে এত রাতে কোথায় যাবো। স্যার:
যা বলছি তা শুনো।
এত কথার কি আছে।
বিকালে কি বলেছি মনে আছে তো??? ফোন
তা কেটে দিল।
তারা: স্যার স্যার?????
।।
আম্মু কে কি বলে মেনেজ করবো বুঝতে
পারছিনা।
আম্মু কে বললাম একটু কাজ আছে
মার্কেট এ যাব। বলেই বের হয়ে গেলাম।
গাড়ির কাছে যেতেই
ড্রাইভার দরজা খুলে দিল। আমি ভেতরে
বসলাম।
ড্রাইভার কে বললাম আমাকে কোথায় নিয়ে
যাচ্ছেন?
সে বলল : স্যার এর বাসায়। কথাটা
শুনে আমার বিশ্বাস হচ্ছিলনা। আমি প্রায়
বেহুশ।।

#বস+বয়ফ্রেন্ড
writer. moyej uddin
............৪..........
স্যার এত রাতে কেনো যেতে বলল । ভয় ভয়
লাগছে।
অসহ্য,,,, এই লোক টা একদম পাগল। কশাই
একটা। পাগল করে দিলো আমাকে। ।
ফোন বেজে উঠলো।
কশাই টা আবার ফোন দিসে কেন???
তারা:হ্যালো। বলুন।
স্যার: সামনে কফি শোপ থেকে ব্লাক কফি
আনবে।
তারা: জি।
২ মিনিট পর আবার ফোন,,,
জি স্যার।
স্যার আর কিছু নিয়ে যেতে বলল। তারা: এই
বেটা কি রাক্ষস রে। এতো খায়।
দেখে ত বুঝা যায় না।
গাড়ি গেট দিয়ে ঢুকছে।
ও মা এত রাজপ্রাসাদ।
এতো বড় বাড়ি।???
গাড়ি থেকে নেমে বাড়িতে প্রবেশ করলাম।
স্যার সোফায় বসে ল্যাপটপ এ কাজ করছেন। ।
আমার দিকে একবার তাকিয়ে হাত বাড়াল।
আমি তার হাতে বিল ধরিয়ে দিলাম। ।
সে রাগে গজ গজ করতে করতে উঠে
দারালেন।
স্যার: এটা কি ( বলছে আর আমার দিকে
এগিয়ে আসছেন।)
তারা: স্যার এটা বিল। ( মিন মিন করে) আমি
পিছাচ্ছিলাম।
হঠাত দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেল। স্যার
সসামনে দারালেন। আমার গলা শুকিয়ে
আসছিল। স্যার কিছু ক্ষন তাকিয়ে থেকে
সরে গেলেন।
হাতে কফি নিয়ে কাকে যেনো ডাক দিলেন।
সে আমাকে টাকা দিয়ে দিল। তারা : স্যার
আমি এখন যাই। স্যার: তোমাকে কি আমি
যেতে বলেছি?? তারা: স্যার১০ টা বাজে।
স্যার: তো?
তারা: মা বাবা চিন্তা করবে। স্যার: আগে
খাবার সার্ভ কোরো। তারা: এই লোক
আসলেই পাগল ( মনে মনে) জি স্যার।
খাবার গুলা রান্নাঘর এ নিয়ে গেলাম। হঠাত
কিসের যেনো আওয়াজ হোলো। আমি দৌড়ে
গেলাম।
দেখি স্যার কফি ফেলে দিয়েছে। স্যার:
এটা এত ঠান্ডা কেন?? তারা: আমি কি
জানি?
স্যার : আবার তর্ক করছো?? তারা: রাগে গজ
গজ করতে করতে কফি পরিষ্কার করতে
গেলাম। খেয়াল না করেই যেই পা দিলাম
ওমনি পা পিছলে পড়ে গেলাম
তারা: ও আল্লাহ! !!!!! আম্মু ( ব্যাথ্যায়) স্যার:
তুমি নিচে কি কোরো। তারা: নাচি ( রাগে)
দেখতে পাচ্ছেন না কি করি। স্যার: বসে আছ
কেন উঠতে পারছোনা তারা: কি খারাপ
আমাকে একটু ধরে তুলবে তাও করছেনা ( মনে
মনে) ব্যাথ্যায় উঠতে পারছিলাম না। স্যার
এখন এগিয়ে আসছেল।
হাত ধরে টেনে তুললেন।
আমি হাটতে পারছিলাম্না। স্যার সেটা
খেয়াল করছিলেন। স্যার হঠাত আমাকে কলে
তুলে নিলেন।
তারা: কি করছেন সবাই দেখছে
স্যার: কে দেখছে? ?
তারা: আপনার কাজের লোক গুলা।
স্যার
ওদের দিকে তাকাতেই সবাই ভাগলো। সবাই
দেখি একে খুব ভয় পায়।
তারা: স্যার আমি
বাসায় যাবো। আমাকে প্লিজ ছাড়ুন।
স্যার কোলে করেই আমাকে নিয়ে বের হয়ে
গাড়িতে বসালেন।
নিজেই পৌছে দিলেন বাসায়।
বাসায় উঠতে খুব কষ্ট হচ্ছিল হঠাত জানিনা
স্যার আবার কই থেকে উদয় হলো।
আবার কলে তুলে নিলো
৩ তালায় বাসার গেট এ নামিয়ে দিয়ে চলে
গেল।
যতটা খারাপ ভেবেছিলাম ততোটা খারাপ
না।
দরজা তে নক করতেই মা দরজা খুলল।
মা : কই
ছিলি?
আমারা কত টেনশন এ ছিলাম।
বাবা জরিয়ে
ধরল।
তারা: কি বলব বুঝতে পারছিনা। মা একটু
মিতুর বাসায় গিয়েছিলাম।
আমি খাবোনা।
তোমরা খেয়ে ঘুমিয়ে পরো।
.
শুয়ে শুয়ে ভাবছি
সে এতো কঠোর আবার বিপদে খেয়াল ও
রাখে।
তাকে খারাপ বলব নাকি ভালো।?? ।
সকাল এ মা এর ডাক এ ঘুম ভাঙ্গল। মা: আরে
তুই কি অফিস যাবিনা?? সাড়ে ৮ টা বাজে।
তারা: কিহ????
ও আল্লাহ কি বলো।
তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে না খেয়েই বের হয়ে
গেলাম।
১০ টা বাজে অফিস এ পৌছালাম। টেবিল এ
বসার আগেই
স্যার এর পি. এ বলল স্যার আমাকে ডাকছে।
তারা: ( মনে মনে) বেটা শয়তান এক্টা।
আল্লাহ জানে এখন আবার কি বলে।
ভয়ে
ভয়ে রুম এ গেলাম।
স্যার: কয়টা বাজে।
তারা: স্যার আপনার ঘড়ি কি নষ্ট?? বলেই
দাত দিয়ে জিভ কাটলাম।
স্যার এমন করে
তাকায় আছে কেন? মনে হচ্ছে চোখ দিয়েই
খেয়ে ফেলবে।
তারা: সরি সস্যার ১০ টা
বাজে।
স্যার: এতো দেরি কেন হলো?? তারা:
স্যার বাইরে যে জ্যাম ছিল আপনাকে কি
আর বলবো
স্যার: এই ১০ টা ফাইল আজ শেষ করে বাড়ি
যাবে। এটা তোমার শাস্তি।
তারা: স্যার এত
গুলা কিভাবে শেষ করবো। ?
স্যার: সেটা
তোমার বেপার। যাও এখন।
তারা: কশাই একটা।
মন চায় গুলি করে মেরে ফেলি। একটু ও
ভালো না।
একবার ও জানতে চাইলনা আমার পা এর
ব্যাথ্যা এখন কেমন।
২টা বাজে। এতো ক্ষুদা লাগসে। আগে খেয়ে
আসি।
সবাই খেয়ে চলে এসেছে।
আমি কাজের জন্য যেতে পারিনি। ক্যান্টিন
পুরা খালি।
খাচ্ছিলাম
আর স্যার কে বকছিলাম।
পানি খেয়ে পিছে ফিরে দেখি স্যার।
তারা:( মনে ক
মনে) কিছু শুনলো নাকি আল্লাহ
জানে।
এতো রেগে আছে কেন।।
আমার হাত টা ধরেই দেওয়ালের সাথে
আটকে ধরলো।
তারা: আহহহহহহ ( মাথায় ব্যাথ্যা পেয়ে)
স্যার মুখ চেপে ধরল।
আর বলল স্যার: আমি
রাক্ষস? ? গুন্ডা? শয়তান? ?? তূমি আমাকে
এইসব ভাবার সাহস পাও কিভাবে??? তারা:
আ.......মি???? আস........লে।
।।
স্যার কে ধাক্কা
মেরেই দৌড়।
অহ আল্লাহ।
আমি সব সময় কেনো ফেঁসে যাই
বলতো।??
মিতু: কি হল আপু??
তারা: না না কিছু না।
চোখ গিয়ে পড়লো স্যার এর চোখে দেখি
আমার দিকেই তাকিয়ে আছে।
কাজ শেষ করে ৫ টায় বাসায় যাচ্ছিলাম।
স্যার এর গাড়ি আমার সামনে থামল। তারা:
আমি এখন কই যাবো দৌড় ই দিব নাকি
ভাবছি।
স্যার: গাড়িতে উঠো।
তারা: না আমি বাসায় একাই যেতে পাড়বো।
স্যার: গাড়ি থেকে নেমে কে বলেছে
তোমাকে আমি তোমার বাসায় নিয়ে যাবো?
তারা: তাহলে???
স্যার: গেলেই দেখতে পাড়বে।
।এক প্রকার
জোড় করেই গাড়িতে আমাকে তুললেন।
গাড়ি যেয়ে থামল তার বাসার সামনে।
তারা: ও আল্লাহ একি। উনি আমাকে উনার
বাসায় আনলেন কেন??
আজ আবার কি করবেন আমার সাথে? ??
তারা: স্যার আপনার বাসায় কি হবে?? স্যার
হাত ধরে বাসার ভেতরে নিয়ে গেলেন। .
চলবে......


#বস+বয়ফ্রেন্ড
writer. moyej uddin
..............৫...........
ভেতরে নিয়ে যেয়েই আমাকে ফেলল
সোফায়।
তারা: কি করছেন কি স্যার???? স্যার এগিয়ে
আসছিলেন।
আমি ভয়ে সোফায় উঠে বসলাম। সে সামনে
এসে আমার দিকে ঝুকে বলল স্যার: আমি
গুন্ডা তাই গুন্ডার মত কাজ করছি। তারা: কিহ
( অবাক হয়ে)
স্যার : এখন তুমি বুঝবে গুন্ডামি কাকে বলে
আর কত প্রকার( কানের কাছে মুখ নিয়া) ।
তারা: কাদো কাদো গলায় ( সরি স্যার)
স্যার: রান্নাঘর এ যাও।
আজ থেকে প্রতিদিন আমার রান্না তুমি
করবে অফিস শেষ এ।
তারা: মনে মনে) একি বলে এই লোক স্যার :
(ধমক দিয়ে) যাও
তারা: তাড়াতাড়ি রান্না ঘরে গেলাম। সেফ
কে বললাম স্যার কি কি খায় উনি আমার
হাতে লিস্ট দিয়ে চলে গেলেন। ।।
তারা:
উফফ খারাপ একটা।
রাক্ষস একটা।
মন চাচ্ছে.........
স্যার: কি মন চাচ্ছে??
তারা: ও রে আল্লাহ! !! আবার শুনে ফেলল?
(মনে মনে)।
না মানে ইয়ে মানে। স্যার:তুমি কি জানো
বাসার সব জাগায় সি.সি . ক্যামেরা লাগান।
তাই তুমি যা বলছিলে আমি সব শুনতে
পেরেছি।
তারা: কথাটা শুনে কলিজার পানি সব
সুকিয়ে গেল।
হাত থেকে প্লেট টা ঠাস করে পরে গেল। অ
বাবা উনি এগিয়ে আসছেন কেন?? তারা:
স্যার আমার কথাটা শুনুন ( মিন মিন করে)
স্যার: চুপ। একদম চুপ।
উনি যখন ই কাছে আসে আমার দম নেওয়া
কঠিন হয়ে যায়।
উনি এত কাছে আসছেন কেন??
আমি মাথা নিচু করলাম ভয়ে উনি উচু করলেন ।
আমি ভয়ে চোখ বন্ধ করলাম। হাত পা ঠান্ডা
হয়ে যাচ্ছে। আআমার গালে উনার হাতের
স্পর্শ পাচ্ছি। ।
আমি চোখ খুললাম।
আমার গালে ময়লা লেগেছিল সেটা সে মুছে
দিল।
স্যার: রান্না করো।
আমি আসছি এখনি।
তারা; কিছু বলতেও ত পারবনা এখন। বললেই ত
দেখে ফেলবেন।
উফফ কি সমস্যা। 😕 😕
তাই মনে মনে ইচ্ছা মত বকলাম। খাটাশ
কথাকার।
বার বার টর্চার করে আমাকে। সাড়ে৮ টা
বাজে তার খবর নাই। বাসায় যাব আমি
কখন???
উফফ না আর না আমি চলে যাই। অনেক হইসে।
দরজার সামনে যেতেই।
স্যার: তুমি চলে কেনো যাচ্ছ। ?
আমি কি যেতে বলছি।
তারা: স্যার অনেক লেট হয়ে যাচ্ছে। প্লিজ।
স্যার রাগে গজ গজ করতে করতে এসে
আমাকে ধাক্কা দিয়ে বাসা থেকে বের
করে দিলেন ।
তারা: একি মানুষ? ?
এইভাবে বের করে দিলেন আমাকে?? রাতে
ভয় অ করছে।
।।
এবার আমার সহ্যের বাধ ভাঙ্গল।
জোরে
জোরে দরজা ধাক্কা দিচ্ছিলাম। ।
স্যার : (দরজা খুলে) কি হয়েছে। তারা:
আপনি মানুষ না কি আর কিছু এইভাবে বের
করর দিলেন আমাকে।
আমি আর কাজ কিরবো না আপনার কাছে।
চলে যাচ্ছি।
স্যার : দাড়াও বলছি। তারা দাড়াও। তারা:
আমি দিলাম দোড়।
স্যার: দাড়োয়ান গেট লাগাও। তারা: ও
আল্লাহ কি বলে??
গেট এ তালা।
এখন কি করব?
স্যার : আমার সাথে আসো।
তারা: না
স্যার: আসবেনা?
তারা: না
স্যার: ঠিক তো? ???
তারা: হ্যা।
স্যার: ঠিক আছে।
বলেই কোলে তুলে নিলো।
তারা: কি করছেন আপনি নামান আমাকে।
না.......মা.......ন।
ঘরের ভেতর নিয়ে গেলেন।
স্যার: এই পিক টা দেখত কেমন হয়েছে।
তারা: দেখবনা।
স্যার জোড় করে দেখালেন।
অমা এটা তো সেই পিক টা লিমা যেটা
তুলেছিল।
আমি স্যার এর দিকে তাকালাম। স্যার: এটা
তোমার বাবা মা কে দেখালে কেমন হয়??
তারা: ............ চুপ
স্যার: লক্ষি মেয়ের মত
আমি যা বলবো তাই করো।তারা: আপনি
একটা খারাপ।
স্যার: হ্যা। আমি খারাপ ই। যাও বাসায় যাও।
রাত তখন সাড়ে ৯ টা।
আমি আমনি ভিতু।
এতো রাতে কিভাবে যাব। ( মনে মনে)
ড্রাইভার: ম্যাম আসুন। স্যার আপনাকে পৌছে
দিতে বলেছেন।
তারা: ( মনে মনে) যাক তাও
এটা সে খেয়াল করেছে।
মা অঅনেক প্রশ্ন করলেন।
কি বলবো আমি??
তাই বললাম অফিস টাইম বেড়ে গেছে। এখন
থেকে দেরি হবে আসতে।
মা আর কিছু বললেন না।
অফিস এ ঢুকেই খেলাম স্যার এর সাথে
ধাক্কা।
তারা: (মুখ না দেখেই) অই কানা নাকি। না
দেখে চলো নাকি? ?চোখ নাই? বলেই
তাকিয়ে দেখি স্যার।
অ আল্লাহ কেন কেন কেন কেন?? উনি কেন
আমার সামনে ই পরে। তারা: সরি স্যার।
দেখি নি স্যার।
স্যার: তুমি......
তারা: দিলাম দোড়।
এই এনাকোন্ডা টা আমাকে সবসময় দোড় এর
উপর রাখে।
মিতু: আপু স্যার তমাকে ডাকছে। তারা:
কেন.?
মিতু: আমি কি জানি?
যাও
তারা: কশাই টারে না মন চায় গুলি মারি।
স্যার আসবো।
স্যার: হুম
এই ফাইল গুলা নিয়ে চলো আমার সাথে।
তারা: কথায়।??
স্যার: এত কথার জবাব কি তোমাকে দিতে
হবে? যাও নিচে যাও
তারা: বাঘ একটা। বিড়াল একটা। ।
নিচে দাড়িয়ে আছি তার খবর নাই। ৩০ মিনিট
হয়ে গেল।
আর আমি যদি ১সেক. অ লেট করি আমাকে
দিবে বকা
স্যার: গাড়িতে উঠো।
তারা: কোথায় যাচ্ছি??
স্যার কিছু বললেন না।
গাড়ি এক বিশাল রেস্টুরেন্ট এর সাম্নে
থামল।
ফাইল নিয়ে স্যার এর পিছন পিছন ভেতরে
গেলাম।
স্যার এক টেবিল এ বসলেন।
স্যার: আমারা মিটিং এ এসেছি। ।
কিছুক্ষণ পর ২ জন লোক আসল।
স্যার মিটিং করসে আর আমি তাকে ফাইল
এগিয়ে দিচ্ছি।
মিটিং শেষ করে ।
।।
স্যার: আমার দিকে একটু সরে এসে বলল।
স্যার: যা অর্ডার দিয়েছি তা রেডি কিনা
দেখে আসো।
আমি উঠে যেয়েই খেলাম ধাক্কা ওয়েটারের
সাথে। আর সব যেয়ে পড়ল স্যার এর উপর। ।
তারা' : আমি এবার কই পালাব?? আল্লাহ
আল্লাহ।
সবাই হাসছে।
আমিও হঠাত হেসে দিলাম।
স্যার এমন করে তাকালেন
আমি হাসি বন্ধ করে দিলাম।
.
উনি ওয়াশ রুমে
যেয়ে হাল্কা ফ্রেশ হয়ে আমাকে নিয়ে
উনার বাড়ি চলে গেলেন। ।।
.
তারা: স্যার এখন ৩ টা বাজে। এখন এই খানে
থেকে কি করব।
আমি বরং ৫ টার সময় আসবোনে। ।।
.
আমি যেই ঘুড়লাম
উনি আমার এক হাত মোচোড় দিয়ে ধরে
আমার পিঠের সাথে লাগিয়ে পিছনে
দাড়ালেন।
কানের কাছে মুখ নিয়ে বললেন : খুব হাসি
পাচ্ছিল না??
এখন হাসো।কি হল হাসো 😕 😕
।।
হাতটা আর জোরে করে ধরলেন। আমি
ব্যাথ্যায় আহহ করে উঠলাম।
উনি আমাকে
ধাক্কা দিয়ে দিল সোফায় ফেলে।
।।
স্যার: (ধমক দিয়ে) আজ তোমার শাস্তি হচ্ছে
আমার জামা কাপড় ধুয়ে দিবে তূমি। আমি
চেঞ্জ করে আসছি।
তারা: মাইরালা। কেও এরে মাইরালা। 😕 😕 বলেই
মুখ চেপে ধরলাম।
যাক আসতেই বলেছি।
না হলে ক্যামেরা তে দেখে ফেলতো ।
চলবে...


#বস+বয়ফ্রেন্ড
writer. moyej uddin
.............৬.......
.
জামা কাপড় ধুয়ে আমার অবস্থা খারাপ।
সোফায় বসে কখন ঘুমিয়ে গিয়ে ছিলাম
যানিনা।
চোখ খুলে তারা: ওমা আমি কই??
এটা কার রুম??
এক জন ঘরে ঢুকল।
ম্যাম আপনার ঘুম হয়েছে। ফ্রেশ হয়ে স্যার
নিচে যেতে বলেছে।
তারা: এই তোমার নাম কি? ?
ম্যাম মিনি।
তারা: মিনি আমি এইখানে আস্লাম কি
করে??
মিনি : স্যার নিয়ে এসেছে।
আপনি সোফায় ঘুমাচ্ছিলেন তাই এইখানে
শুইয়ে দিয়ে গিয়েছিলেনন।
তারা: কয়টা বাজে??
মিনি : ৬ টা।
তারা: ও মা অনেক দেরি হয়ে গেল।
তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে নিচে গেলাম।
উনি ল্যাপটপ এ কাজ করছিলেন।
স্যার: ঘুমানোর জন্য এখানে আসছছ???
তারা: ভাব্লাম একে ধন্যবাদ দিব।
নাহহ দিবনা।
কিছু না বলেই রান্নাঘর এ গেলাম
হাহ।
রান্না কিরছিলাম।
উনি এসে পাশে দাড়ালেন। ।
আমি একবার তাকিয়ে কাজে মন দিলাম
আবার।
হঠাত গেল কারেন্ট।
আমি এক চিতকার দিয়ে ধরলাম স্যার কে
জড়িয়ে।
স্যার: এই মেয়ে কি করছ?
ছাড়ো।
তারা: স্যার অন্ধকার আমি খুব ভয় পাই।
আরও জোড়ে জরিয়ে ধরলাম।
স্যার: মিনি মিনি মোমবাতি আনো।
মিনি : মোমবাতি হাতে আমাদের এই ভাবে
দেখে মোম রেখে চলে গেল।
আলো দেখে চোখ খুললাম।
স্যার এর দিকে তাকালাম।
স্যার: (মনে মনে আবছা আলো তে ওকে এত
সুন্দর লাগছে। )
স্যার আমার মুখের উপর থেকে চুল গুল সরিয়ে
দিল।
আমি সরে যেতে চাইলাম সে আমাকে শক্ত
করে ধরলেন। ( মনে মনে তাল গাছ টা কি
করছে)
উনি আমাকে তার মুখের দিকে এগিয়ে
নিচ্ছিলেন।
আমি ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছিলাম ভয়ে।
আমি চোখ বন্ধ করলাম।
নিজের অজান্তেই পা এর উপর ভর দিয়ে
আরেক্টু উচু হলাম।
আমার ঠোঁটে এর উপর তার নি:শ্বাস অনুভব
করছিলাম।
হঠাত কারেন্ট এসে গেল।
আমি চোখ খুলেই তাকে আটকালাম
উনি চলে গেলেন।
আমি অইখানে ই মুখ ধরে বসে পরলাম।
রান্না রেখে আমি বাসা থেকে বের হয়ে
গেলাম।
বাসায় চলে গেলাম।
রাতে আর ঘুম হলনা।
যখন ই চোখ বন্ধ করি। সেই দৃশ্য চোখে ভেসে
উঠে।
একটু অ ঘুম হচ্ছেনা। কি করি এখন।
উফফ ওই রাক্ষস তাল গাছ টার কথা বার বার
মনে হচ্ছে।
সকালে উঠে আয়নার সামনে দারিয়ে ভাবছি
আজকে যাবো নাকি না??
খুব অস্থির লাগছে।
যদি আবার বকে না গেলে।
থাক যাই।
অফিস এ গেলাম।
তারা: কিরে মিতু আজ দেখি স্যার এর খবর
নাই??
মিতু: তাই তো দেখছি।
তারা: বার বার স্যার এর কেবিন এর দিকে
আর দরজা এর দিকে তাকাচ্ছি ।
কি ব্যাপার আমি কি স্যার কে মিস করছি??
ছি ছি না না।
কি সব ভাবছি আমি।
৫ টা বেজে গেল ।
স্যার আজ আসল না।
কি হয়েছে উনার। আস্লনা কেন??
উনার বাড়ি কি যাবো???
কি করব বুঝতে পারছিনা।
নাহ থাক যাবোনা।
বাসায় যাই।
অর্ধেক পথ যেয়ে
না স্যার এর বাসা থেকে ঘুরেই যাই।
স্যার এর বাসায় গেলাম।
মিনি গেট খুলে দিল।
তারা: মিনি স্যার কই?
মিনি : স্যার এর খুব জ্বর। কালকে রাত
থেকে।
ডাক্তার দেখে গিয়েছিল
ওষধ দিয়ে গেসে।
কিন্তু উনি কিছুই খাচ্ছেন না।
আর ওষধ ও না।
আমি উনার রুম আ গেলাম । দেখি শুয়ে আছে।
কপালে হাত দিয়ে দেখলাম কি অবস্থা।
হাত দিয়ে দেখি অবস্থা খুব খারাপ।
জল পট্টি দিলাম।
হাত পা মুছা দরকার।
শার্ট কি খুলব??
কিন্তু না খুললেও তো হচ্ছেনা। জর তো
বেড়েই যাচ্ছে।
কিছু না ভেবেই চোখ বন্ধ করে খুললাম।
মিনি সামনে দাড়িয়ে ছিল।
শরির মুছিয়ে দিলামম।
হাল্কা হাল্কা তাকাচ্ছে কিন্তু কিছু বলতে
পারছেনা।
আমি কিছু খায়িয়ে ওষধ খাওয়ায় দিলাম।
জর কেমন দেখার জন্য কপালে হাত দিলাম।
একটু কম মনে হচ্ছে।
মিনি কে চলে যেতে বললাম।
আমি অই খানে বসে ছিলাম।
রাত ত অনেক হল বাসায় তো যাওয়া দরকার।
কিন্তু একে রেখে কিভাবে যাবো?
মা কে কি ফোন দিবো???
।অনেক রাত হচ্ছে চলে যাওয়া ভাল।
।।
মিনি কে বলে চলে গেলাম।
আজ রাতেও ঘুম হলনা তার কথা বার বার
ভাবছি।
কেমন আছে না আছে।
মিনির নাম্বার এ ফোন দিলাম। মিনি : ম্যাম
বলুন।
তারা: উনি কেমন আছে।?
মিনি: এখন ভাল।
জর কম।
ঘুমাচ্ছে।
তারা: ওকে। রাখি তাহলে।
সকালে অফিস এ যেয়ে দেখি স্যার এসেছে।
কেমন আছে জানতে স্যার এর রুমে গেলাম
তারা: স্যার কেমন আছেন। স্যার: তোমাকে
কি তার কইফোত দিতে হবে??
তারা: না মানে ,, স্যার, কালকে আপনার........
স্যার: চুপ। যাও কাজে যাও। তারা: ( মনে
মনে) এটা কি হোলো। আমি তো খবর ই নিতে
গেলাম।কালকে উনি অসুস্থ ছিলেন।
যাহ মন টাই খারাপ হয়ে গেল।
কাজ শেষ এ বাসায় গেলাম।
আজ আর উনার বাসায় যাই নি। উনি বলেন ও
নি।
খুব রাগ লাগছে।
তাল গাছ,শয়তান, বাঘ,ছাগল।
মেঘ: ল্যাপটপ এ কাজ কিরছিলাম। নাহ
কাজে মন লাগছেনা।
তারা কে কেনো বকলাম? ?
বকেছি ভাল করেছি।
আচ্ছা ও কালকে বাসায় কি আসছিল? ? ।
মেঘ: মিনি? মিনি?
মিনি: জি স্যার।
মেঘ: কালকে তারা বাসায় আসছিল?? মিনি:
জি স্যার।"
আপনার অনেক যত্ন করেছে মেয়েটা। অনেক
রাত পর্যন্ত ছিল।
নিজে রান্না করে আপনাকে খাইয়েছে।
রাতে আমাকে অনেক বার ফোন দিয়ে
আপনার খবর নিয়েছে।
মেঘ: কিহ??
আমাকে সকালে বলনি কেন?
মিনি : আপনিতো জানতে চাননি। মেঘ: ওকে
যাও।উফফ এটা কি ঠিক করলাম আমি
ওকে কেন বকতে গেলাম?? দুরররররররররর ।
সকালে অফিস এ যেয়ে দেখি তারা নেই। ।
মেঘ : মিতু তারা কই? আসেনি? মিতু : না
স্যার।
মেঘ রুমে চলে গেল।
উফফ অসহ্য লাগছে।
তারা: উফফ কি জ জ্যাম ছিলরে মিতু কি আর
বলব।
মিতু: এর জন্য দেরি হল।
তারা: হ্যা।
মিতু: স্যার বার বার রুম থেকে বের হয়ে
তোমার টেবিল এর দিকে তাকিয়ে ছিল। মনে
হয় তোমাকে খুজছে।
যাও বয়ফ্রেন্ড কে দেখা দিয়ে আস! হিহিহি।
তারা: চুপ একদম চুপ।
ও আমার বয়ফ্রেন্ড না।"
মিতু: রেগে আছ নাকি?? ঝগড়া হইছে??
তারা??? পিছে ঘুরে দেখি স্যার ডাক
দিচ্ছে।
আমি আবার সামনে ঘুড়ে বসলাম। মানে শুনেও
না শুনার ভান। স্যার এসে হাত ধরে উনার
রুমে নিয়ে গেল। স্যার: কি ব্যাপার ডাকছি
শুনতে পারছনা?? আমি ডাকছিলাম।
তারা: তারছিল্য ভাবে বললাম কি বলবেন
বলেন।
স্যার: im.....im.....
তারা: কি im im করছেন।
উফফফফ।
স্যার: অকে im sorry.
তারা: কি বললেন শুনতে পারলাম্না। স্যার :
sorry.
তারা: হাহ। চলে যাচ্ছিলাম। হাত ধরে তার
দিকে এতো জোরে টান দিল যে হাত টাই না
ছিঁড় এ যায়। তারা: কি করছেন? ? ছাড়ুন।
স্যার: তুমি আমাকে কিছু না বলে চলে যাচ্ছ
কেন??
তারা: কি বলব?
স্যার: আমার দিকে তাকাও। ( ধমক দিয়ে)
তাকাও বলছি। না হলে.....
তারা: না হলে কি??
স্যার: তারার মুখ উচু কিরে, অই দিন যে কাজ
টা অর্ধেক বাকি ছিল সেটা করে ফেলবো
তারা: আমি হাত দিয়ে আমার মুখ চেপে
ধরলাম।
স্যার: কি বুঝতে পেরেছ তাহলে??
তারা:
অকে অকে আপনার sorry excepted. বলেই বের
হয়ে গেলাম।
শয়তান লোক একটা।
..........
মিতু: কি হল স্যার কি বলল? ? তারা: যা বলল
তোকে বলা যাবেনা। মিন মিন করে। মিতু :
কি বললা।
তারা: কই না তো।
মেঘ: তারা চলো।
তারা: কোথায়।
???
মেঘ ( স্যার) : গেলেই দেখবা। গেলাম স্যার
এর সাথে।
চলবে..

#বস+বয়ফ্রেন্ড
writer. moyej uddin
.........৭.......
স্যার একটা বড় রেস্তোরা তে নিয়ে গেলেন।
মেঘ: কি খাবা?
তারা: কিছুনা।
মেঘ:এখন রাগ কমে নি তাই না? ওকে
ওয়েটার, ওয়েটর।??? ওয়েটার: কি স্যার
কি লাগবে?? মেঘ: এইখানে যতো রকমের ice-
cream আছে সব আনো। জি স্যার।
তারা: আমি না শুনার ভান করে থাক্লাম।
মেঘ: সব খাওয়া শুরু করে দিলাম। তারা: আরে
আরে কি করছেন কি?? স্যার এর সামনে
থেকে ice-cream গুলা সরালাম। ওয়েটার কে
বললাম সব নিয়ে যাও। তারা: আপনি মাত্র
ঠিক হয়েছেন। আর এখন আবার অসুস্থ হতে
চাচ্ছেন? ? মেঘ: মাফ করেছ আমাকে??
না হলে আবার খাবো।
তারা: অকে অকে।
চলুন এবার।
বাসায় গেলাম।
মা : কিরে এত তাড়াতাড়ি বাসায়। তারা:
কাজ শেষ তাই।
কালকে ২ জন লোক নিবে নতুন। জলদি যেতে
হবে অফিস এ।
জলদি রেডি হয়ে অফিস এ গেলাম ১০ জন
এসেছে। ২জন নেওয়া হবে।
স্যার আর সিনিয়র ২ জন মিলে ইনটারভিউ
নিচ্ছে। ২ জন কে বাছাই করা হল। ১ জন
মেয়ে ১জন ছেলে। ও রা আমাদের সাথে
পরিচিত হল। রনি: ম্যাম আমাকে একটু কাজে
হেল্প করবেন প্লিজ। তারা: অবশ্যই ।
এনি টাইম।
এ ভাবেই সময় গুলা কাটছিল।
স্যার এর বাসায় গেলা ম
স্যার ( মেঘ) : ফোন এর দদিকে তাকিয়ে ওই
নতুন ছেলে তোমার কাছে
কেন আসে বার বার? ।
তারা: স্যার ও নতুন তাই দেখিয়ে দেই কাজ। ।
মেঘ: অহ আচ্ছা!!!
রনি: তারা ম্যাম ?
তারা: ম্যাম বল না তো শুধু তারা বল অরে??
রনি : অকে।
তারা: অর সাথে হাসাহাসি করছিলাম।
দেখলাম স্যার তাকিয়ে আছে। সাথে সাথে
কাজে মন দিলাম। আর অকেও কাজ করতে
বললাম। ।
স্যার: তারা অই ফাইল টা নিয়ে আসোতো। ।
রুমে গেলাম
ফাইল টা উনার টেবিল এ রাখলা
স্যার: কি ব্যাপার? এতো হাসাহাসি
কিসের??
তারা: স্যার হাসিতে কি সমস্যা? ? ।
স্যার: ও কি জানে আমি তোমার বয়ফ্রেন্ড? ?
তারা: আপনি কি আসলেই আমার বয়ফ্রেন্ড? ?
না তো।
তাই ওকে জানানোর কি আছে?
চলে আসলাম।
রনি : তারা। আজকে তোমাকে খাওয়াবো।
তুমি কি খেতে পছন্দ কর বল।
তারা: ফুচকা খাব।
রনি : ওকে। অফিস শেষ করে।
আমি আর রনি গেলাম।
রাস্তায় দারিয়ে ফুচকা খাচ্ছিলাম। ।
স্যার: মিতু তারা কই।
মিতু: কাজ শেষ এ ও রনির সাথে চলে গেছে।
মেঘ ( স্যার) : ফোন দিচ্ছি ফোন ধরছেনা।
কি বিরক্ত।
খুব রাগ লাগছে। ।
অর যাওয়ার কথা আমার সাথে। আর তা না
করে অন্য ছেলের সাথে গেছে??? ।
বাসায় যাওয়ার পথে দেখলাম তারা আর রনি।
খুব রাগ হচ্ছে।
অকে অন্য কারো সাথে আমি সহ্য করতে
পারিনা।
ও কি বুঝেনা।
ও কে আমি ভালবাসি।
থাক এখন কিছু বলবনা।
বাসায় আসুক আগে দেখে নিব অকে। ।
এত ক্ষন হয়ে গেল আসছেনা কেন?? ।
তারা: নাহ অনেক দেদেরি হয়ে গেল। আজ
আর স্যার এর বাসায় যাবনা। ।
ফোন টা ধরে দেখি স্যার এর ১০ তা মিস কল।
অ আল্লাহ কাল্কে ত আমার ১৩ টা বাজবে। ।
গিয়েই মাফ চেয়ে নিবনে।
।অফিস গিয়ে।
তারা: স্যার আআসব???
স্যার: হুম।
তারা: স্যার সরি।
স্যার: হুম
তারা: ( মনে মনে) কিছু তো বলছেনা। মনে হয়
রেগে নাই।
যাক ভাল।
স্যার আসি তাহলে।
স্যার : তারা? ??
তারা: জি স্যার
স্যার: কিছু না। যাও।
তারা: এই নতুন অডার টা পাওয়ার পর কাজ
এতো বেড়ে
গেছে।
উফফ দম নেওয়ার অ সময় নাই।
।এটা সফল হলে স্যার বলেছে আমাদের সবাই
কে পার্টি দিবেন।
তাই সবাই এইটা নিয়ে পড়ে আছে। ।
অহ ৬ টা বাজে।
সবাই ১ঘন্টা করে কাজের সময় বাড়িয়ে
দিয়েছে।
স্যার এর বাসায় কিছু দিন যাওয়া হয়না।
স্যার অ যেতে বলেনা।
আজ কি একবার যাবো।
স্যার কি ভুলেই গেছে।
এদানিং উনি আমাকে টর্চার ও কম করে ।
আমি কি সেগুলা মিস করছি??
নাকি উনাকে দেখতে চাচ্ছি।
উনি এখন ঠিক মত অফিস এ ও আসেনা। ।
মাথায় শুধু তার কথা ঘুড়ছে। ।
হঠাত পিছন থেকে তারা বলে ক যেন ডাক
দিল।
তারা: স্যার ( বলে পিছনে তাকালাম। অহহ
রনি!!!!
রনি: চলো তোমাকে বাসায় দিয়ে আসি। ।
নাহ আমার কাজ আছে তুমি যাও। ।
রনি : আমিও যাবো চলো।
তারা: না। দরকার হবেনা।
রনি: ( হাত ধরে) চলোতো।
সামনে তাকিয়ে দেখি স্যার দাঁড়িয়ে আছে
আমাদের দিকে তাকিয়ে।
তারা: স্যার......!!!
উনি এইভাবে চলে গেল কেন??
এখন এই সময় এইখানে কি করছিলেন উনি। ।
তারা: রনি তুমি যাও।
আমি স্যার এর সাথে দেখা করে আসি। ।
রনি : আমিও যাই??
তারা: না।
তুমি যাও
তারা: আপনি এ সময় অফিস এ কেন?? কিছু
দরকার।।।
স্যার: দরকার ত তোমাকে ( মিন মিন করে)
তুমি এইখানে এসেছ কেন? ?
আর তোমার যে আমার বাসায় যাওয়ার কথা
প্রতি দিন তা কি ভুলে গেছ??? তারা: স্যার
আপনিতো আর্ যেতে বলছেননা । তাই আর কি
......
মেঘ: চুপ আর কথা না।
যাও বাসায় যাও।
তারা: কার বাসায়
মেঘ: তোমার।।।
তারা: জি।
মেঘ: এতো রাগ লাগছিল।
ও যদি আরেক্টু সময় এই খানে থাকতো আমি ও
কে কি করতাম আমি নিজেও যানিনা ।
ও আমার আর আমারি থাকবে। অন্য কার হতে
দিবনা।
তারা: উনি এমন অদ্ভুত আচরণ কেন করছেন???
কিছু বুঝতে পারছিনা।
সকালে রেডি হয়ে অফিস গেলাম। ।
মেঘ: তারা আমার সাথে একটু চলোতো।
তারা: জি স্যার। চলূন।
আজ কোথায় মিটিং? ?
মেঘ: চুপ চাপ চলো।
তারা: স্যার কোথায় আনলেন। এই টা তো
শপিং মল।
এইখানে কি কাজ??
মেঘ: চলো। আমি কিছু কিনবো তুমি পছন্দ
করে দিবে।
তারা: জি।
মেঘ: একটা রিং পছন্দ করো।
তারা: কার জন্য???
মেঘ: আমি এক জন কে গিফট দিব। তার জন্য। ।
তারা: জি.এফ???
মেঘ: তুমি জেনে কি করবে?
তারা: অকে। পছন্দ করছি।
স্যার এটা কেমন??
স্যার: ভাল না।
তারা: স্যার এইটা।
স্যার: উহু।
তারা: আরে এতো গুলা দেখালাম তাও পছন্দ
হয় না কি জালা।
মেঘ: তারা হাত দেও।
তারা: কেন
মেঘ : দেও তো।
।তারার রিং ফিংগার এ রিং টা পড়িয়ে
দিলাম।?
তারা : স্যার খুব সুন্দর। রিং টা খুলতে
নিলাম।
মেঘ: খুলছ কেন?
তারা: আপনি যার জন্য নিলেন তাকে
দিবেন্না??
তাই।
মেঘ : অইটা তমার কাছে এখন থাক। আমি
পড়ে নিব।
আমার কাছে হারিয়ে যেতে পারে। আর ১টা
কথা। তুমিও খুলবানা যদি হারায় তাহলে
বুঝবা
অফিস এ ফিরে এলাম মিতু : এটা তো আআগে
পপরনি ককখন।
খুব সসুন্দর রিং।
তারা: স্যার দিসে।
মিতু : মানেএএএএএ।
কন আংগুল এ পরাইসে খেয়াল করস? ? ।
তারা: হুম।
কিন্তু উনি পরে এটা নিয়ে নিবে। অন্য জনের
জন্য কিনসে।
মিতু : ও তাই বল।
রনি : তারা কি করছো? ?
তারা: দেখছই ত কি করি। ।
আই প্রজেক্ট টা কম্পলিট করতে পারলে
আমরা বাচি।
রনি : হুম ঠিক।আরে তোমার পায়ে কি
লেগেছে। দারাও মুছে দেই
তারা: আরে না। আরে পায়ে হাত দিও না। ।
রনি : আরে কিছু হবেনা। দারাও ।
মিতু : আপু স্যার তাকায় আছে। ।
তারা: ও আল্লাহ।
রনি ছাড়ো।
রনি : আরে হয়ে গেছে।
আচ্ছা যাই কাজ করি।
স্যার কিছু না বলে শুধু হাত টা ধরে আমাকে
রুম এ নিয়ে গেল।
স্যার : কি হচ্ছিল.
তারা: না মানে .... ইয়ে মানে।।।।। ।
স্যার: ওর চুলের মুঠি ধরে ওকে দেওয়ালে
আটকালাম।
ও যদি আবার তোমাকে ধরেছে তাহলে.....
তারা: স্যার ব্যাথ্যা লাগছে ছাড়ুন। ।
স্যার: তোমাকে অন্য কেও যেন না ধরে বলে
দিলাম।
।বলে ওকে ছেড়ে দিলাম।
যাও এখন।
তারা: এই লোক টা আসলেই পাগল। উফফ
মাথা ব্যথা হয়ে গেল।
কাজ শেষ নিচে দেখি উনার গাড়ি। উনি
কই??
ড্রাইভার বলল উনি চলে গেছে। আর আপনার
জন্য গাড়ি পাঠিয়েছেন।
।।
বাসায় গেলাম।স্যার কে দেখলাম্না ভাবলাম
আগে কাজ শেষ করি পরে ডাক দিব। তাই
কাজ শুরু করে দিলাম।
তারা?? তুমি এসেছ? ?
তারা: জি স্যার বলে ঘুরে দেখি উনি ঢলছেন।
উনি কি ড্রিংক করেছেন তাহলে?? ।স্যার:
কেন আমাকে কষ্ট দেও বলতো।?? আমাকে
কি একটু ও বুঝনা তুমি। কেন? কেন???
বলেই আমাকে জরিয়ে ধরলেন। গালে একটা
কিস করে বসলেন
ঠোটে কিস করার চেষ্টা করছেন। তারা:
ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলাম। কি করছেন
এইসব।
তাকিয়ে দেখি উনি বেহুশ হয়ে গেছেন। ।
মিনি কে ডাক দিলাম।
মিনি আর আমি মিলে উনাকে ঘরে রেখে
আসলাম।
কি করব বুঝতে তো পারছিনা। আর উনি কি
সব বলছিলেন।
কি হয়েছে উনার।
অফিস এ
মিতু:আপু তোমার হাতে কিসের দাগ ।
তারা: না না কিছু না।
কালকে স্যার এতো জরে হাত ধরেছিল যে
দাগ বসে গেছে।
স্যার আজ আসেনি।
হয়তো নেশা কাটেনি।
আজ আর যাবনা।
মেঘ:উফফ মাথা কি ভাড় হয়ে আছে। আজ আর
যাবনা অফিস এ।
মিনি কফি আনও।
গোসল করে এসে বসলাম।
মিনি কফি আনল।, সি। সি। ফুটেজ গুলা চেক
করা দরকার। অনেক দিন চেক করিনা। ।
হঠাত কাল কের ওই ফুটেজ চোখে পরল।ছি ছি
নেশা তে কি করেছি তারার সাথে। তারা
কে ফন দিলাম।
ফোন ধরছেনা কেনো।
?
চলবে.....


#বস + বয়ফ্রেন্ড
writer. moyej uddin
.....৮...
মেঘ; তারাতাড়ি রেডি হয়ে অফিস গেলাম। ।
অফিস এ তারা এখন আসেনি।
মন টা একটু খারাপ হল এই ভেবে অ যদি
সত্তিই অফিস ছেড়ে দেয়।
??
রুমে গেলাম।
টেবিল এর উপর এইটা কি??
আরে এই রিং টা এইখানে আসল কিভাবে??
তাহলে তারা রেখে গেছে।
মিতু মিতু।
মিতু: জি স্যার
মেঘ : তারা কথায়?
মিতু: ওকে তো রনির সাথে দেখেছিলাম। ।
মেঘ: এই রনির একটা ব্যবস্থা করতে হবে। ।
কেন্টিন এ গেলাম।ওদের দেখতে। ওরা
অইখানে বসে ছিল।
তারা একবার তাকাল পরে মুখ ঘুরিয়ে নিল।
ব্যপার টা আমার সহ্য হলনা। ।
মেঘ: রনি। তোম্রা এইখানে কি করছো? ? ।
রনি : আসলে স্যার কফি নিতে এসেছি। ।
মেঘ : যাও কাজে যাও।
রনি : জি স্যার।
তারা: আমিও যাই। আবার আমার উপর ও না
রাগ হয়।
মেঘ : তারা দারাও।
তারা: বলুন।
মেঘ: হাত দেও।
তারা: কেন?
মেঘ : দিতে বললাম তাই দেও।
তারা: না দিবনা।
মেঘ : হাত টা জোর করে ধরলাম। রিং টা
পরিয়ে দিলাম।
আর খুলবেনা।
তারা: যার জন্য নিয়েছেন তাকে দেন। ।
মেঘ : তোমার জন্য এটা।
তারা: কেন আমার জন্য।
মেঘ : তুমি আমার অসুস্থতারর সময় সেবা
করেছ তাই।
তারা: আমার লাগবেনা।
ছুড়ে ফেলে দিলাম।
মেঘ : তারা কাজ টা ভাল হচ্ছেনা। ।
তুমি কি চাচ্ছ তুমার জন্য অন্য কারো চাকরি
যাক??
তারা: মানে।
মেঘ : নেও এটা পরো।
আর রনির সাথে তোমাকে আরেকবার দেখলে
ওর চাকরি যাবে। মনে রেখো।
তারা: যাহ বাবা এটা কি হল।
আমার জন্য বেচারার চাকরি নিয়ে নিবে।
লোক্টা মস্ত বড় শয়তান। হাহ। ।
মেঘ : হ্যা আমি সেটাই।
তারা: উনি বুঝলেন কম্নে??
।।
মনের কথা শুনে ফেলেছেন। দ্রুত চলে
আসলাম।
উনি ও এসে কেবিন এ গেলেম। রিং টা
টেবিল এর উপর রাখলাম। মিতু : কি ব্যপার
রিং খুলছ কেন? স্যার কি দিয়ে দদিতে
বলেছে।
। তারা: না উনি আমার জন্য কিনেছে। ।
মিতু : সত্তিই?? আচ্ছা স্যার কি বাই এনি
চান্স তোমাকে পছন্দ করে ফেলেনি তো?? ।
তারা : ( মনে মনে এটা কি সম্ভব )?? আরে দুর
কি যে বলিস না। হাহ। উনি ভালবাসবেন
আমাকে।??
মিতু : আমি কি ভালবাসার কথা বলছি?? ।
তারা: আ...... রে।।।। ওই একি হল। ।
লিমা : বাহ রিং টা ত সুন্দর। ।। এইভাবে
রেখে দিস কেন? ?
তারা' আমার পছন্দ না তাই।
লিমা : আমাকে দিয়ে দেও তাহলে। ।
তারা' না না। বলেই পরে নিলাম। । লিমা মিতু
আমার কান্ড দেখে হাসছে। আমি একটু লজ্জা
পেলাম।
মেঘ : দারিয়ে দারিয়ে এর কান্ড দেখছি।
একে তো নিজে নিতে চাইনি এখন দিতেও
চায় না।
তারা: হাত টা এতো ব্যথা কিরছে কেন। ।
ঘড়ি র রিং টা খুললাম।
৬ টা বাজে। সবাই বাসায় যাচ্ছে। ।
মেঘ: তারা চলো।
গাড়িতে :
মেঘ : তারা হাত দেও।
তারা : আবার কি??
মেঘ : দেও তো।।
তারা: নিন।
মেঘ : রিং টা কই।
তারা কই মানে। এই যে বলে থেমে গেলাম।
আরে আসলেই তো রিং টা কই।
আমি ব্যাগ এ খুজিলাম।
নাই।
কাদো কাদো কন্ঠে স্যার পাচ্ছিনা তো। ।
মেঘ : ১ লক্ষ টাকার রিং তুমি হারায়
ফেলছো???
তারা : কি? ?? দাম শুনে প্রায় বেহুশ। ।
স্যার আমি খুজে আনছি।
মেঘ : যাও। দেখি পাও কিনা।
তারা: এতখুজেও পেলাম্না। এখন কি হবে।
এতো টাকার জিনিস! !!! আমি কাদতে কাদতে
গেলাম গাড়িতে।
মেঘ : পেয়েছ?
তারা : মাথা নিচু করে না স্যার। বার বার
চোখ মুচ্ছিলাম। ।স্যার কিছু বললেন না।
গাড়ি স্যার এর বাসার সাম্নে নামল। ঘরে
ঢুকেই রান্নাঘর এ গেলাম। খুব খারাপ
লাগছিল।
আমি কিভাবে এটা হারিয়ে ফেললাম। ।
স্যার কিছু বললেন না। কিন্তু যদি কিছু
বলেন।
দোষ ত আমারি।
স্যার আজ নিচে নামেনি এখন। যাই ডাক
দিয়ে আসি।
তারা: স্যার স্যার বলে দরজা তে টোকা
দিলাম।
দরজা দেখলাম হাল্কা খুলে গেল। ।
হালিকা মাথা ঢুকিয়ে উনাকে দেখার
চেস্টা করলাম।
দেখি উনি টাওজার পরে খালি গায়ে
আয়নার সামনে দারিয়ে মাথা মুচ্ছেন। ।
আমি জলদি কিরে সরে গেলাম। দরজারর
পাশে দাড়ালাম।
মেঘ : ও ভেবেছে আমি অকে দেখিনি। কিন্তু
আয়নাতে তো সব ই দেখা যায় sweetheart! ! অ
যে দরজার পাশে দারিয়ে আছে ওর হাত
দেখেই বুঝা জাচ্ছে।
ওর হাত টা ধরে টান দিয়ে রুমে এনে
দেওয়ালের সাথে দাড় করালাম। কি করছো
এইখানে।
তারা : না মানে ইয়ে মানে, , আসলে। ।
মেঘ : কি মানে মানে করছ??? বলো। ।
তারা : খবিশ একটা জামাও পরে নাই( মনে
মনে)। আমি আপনাকে ডাকতে এসেছি।
রান্না হয়ে গেছে।
মেঘ : অর বা হাত টা নিয়ে রিং টা পরালাম।
তারা: আপনি কথায় পেলেন??
মেঘ : তুমি খুলে টেবিল এ রাখতে
গিয়েছিলে পরে গিয়ে ছিল।
তারা: আপনি জানলেন কিভাবে? . ।মেঘ :
আমি দেখেছি তাই।
তারা : তাহলে তখন বললেন না কেন? ।
মেঘ : এটা তোমার শাস্তি ছিল। ।
তারা: আমি কত ভয় পাইছি জানেন।। ।
মেঘ : খুলেছিলে কেন তাহলে? ? আর খুলবা? ?
তারা : না না
মেঘ : গুড। চলো।
মেঘ : তারা আজ আমি হাত দিয়ে খাবনা। ।
তারা : ওকে চামচ এনে দিচ্ছি। ।।
মেঘ : বলদ একটা
তারা
: কি বললেন।
মেঘ : তুমি খাইয়ে দেও।
তারা : কিহ???? আমি খাইয়ে দিব?
মাথা খারাপ নাকি? ? পাড়বো না। ।
মেঘ : কি বললে পারবেনা? ?
তারা : না।
মেঘ : আবার বলো।
তারা : উনি এভাবে আমার দিকে আসছেন
কেন? ?
।আচ্ছা আচ্ছা দিচ্ছি।
রাক্ষস একটা কত খায়।
মেঘ : ড্রাইভার ম্যাম কে বাসায় দিয়ে
আসো। দেখো উনার যেন প্রব্লেম না হয় ।
তারা : এহ কত যেনো আমারে নিয়া ভাবে
কাল্ কে আমাদের প্রজেক্ট এর লাস্ট ডে। ।
অনেক কাজ।
সবাই আজ ব্যাস্ত।
প্রজেক্ট সাবমিট করা হয়েছে। ।
রেজাল্ট আসা বাকি। পরের দিন..... স্যার:
আমাদের প্রজেক্ট টা সফল হয়েছে। ।
সবাই হাত তালি দিল।
স্যার: কাল কে আমার পক্ষ থেকে পার্টি।
অফিস এর ছাদে।
লিমা সব ব্যবস্থা তুমি আর মিতু আর রনি
করবে।
লিমা : ও কে স্যার।
সবাই সন্ধায় ছাদে উপস্থিত। ,মেঘ : মিতু
তারা কই?
মিতু : এখনি চলে আসবে।
শাড়ি মানুস পরে??
জিবনের প্রথম শাড়ি পরলাম মা এর কথায়। দুর
সিড়িব্দিয়ে উঠতে ত পারছিনা। আর লিফট
টা আজি খারাপ হতে হল। ।
কনো মত উঠলাম।
মেঘ : আসছেনা কেন ও এখন।
হঠাত দেখি তারা। শাড়ি পরে। কি সন্দর
লাগছে ওকে। নাহ আজ অকে প্রপস করেই
ফেলব।
নকল থেকে আসল বয়ফ্রেন্ড হয়ে যাব। ।
তারা : কিরে মিতু।
মিতু : বাহ ঝাক্কাস লাগসে। তারা: হইছে
মাখন কম মারো। ।মেঘ: তারা। এই খানে
আসো।
জি স্যার বলুন।
রনি: আরে তারা কি সন্দর লাগছে তোমাকে।
নেও এই ফুল টা তোমার জন্য।
তারা: আরে স্যার এর সামনে কি বলে ( মনে
মনে) আজ ওর চাকরি যাবে। আরে স্যার তো
রেগে যাচ্ছেন।
আমি রনি কে নিয়ে সরে পরলাম। ।
রনি : দেখো সবাই ডান্স করছে। তুমি আমার
সাথে ডান্স কর। তারা : আরে না,,, এই
ছেলের চাকরি না যায় উফফ
রনি : প্লিজ।
তারা: ওকে।
মেঘ: অর সাহস কত। ও অন্য জনের সাথে ডান্স
করছে। মানা করা সত্তেও রনির সাথে ও ।।।।
তারা: স্যার এর দিকে চোখ যাচ্ছে বার বার।
উনি আমার দিকে তাকিয়ে ড্রিংক করেই
যাচ্ছে।
অ আল্লাহ এইখানে কেন আসছেন উনি। ।
আমার হাত ধরে কথায় নিয়ে যাচ্ছেন ছাড়ুন।
তোমার সাহস হয় কি করে অন্য জনের সাথে
ডান্স করার।
তাতে আপনার কি প্রব্লেম। ছাড়েন আমাকে।
১ পা বাড়াতেই মেঘ : আমার কি প্রব্লেম
দেখবে দেখাচ্ছি
বলেই দেওয়ালে সাথে আটকে ধরলাম ওকে। ।
ওর ঠোটের সাথে আমার ঠোট আটকে ধরলাম।
ও সরাতে চাচ্ছে আমায়।
জোরে ধাক্কা দিতেই সরে গেলাম। তারা
ঠোট মুচ্ছিলো।
আমার রাগ তখন কমে নি।
আমি ওর ২ হাত আমার ২ হাত দিয়ে ধরে
দেওয়ালে আটকিয়ে আবার কিস করে
দিলাম।
ও এবার কিছুই করতে পারছেনা। ।
৫ মিনিট পর ছেড়ে দিলামম। ও আবার ঠোট
মুছছে। আমার আবার রাগ উঠে গেল। আমি ওর
ঠোট এ কামোড় দিয়ে ধরলাম। আবার কিস
করলাম।
আর বললাম যত বার ঠোট মুছবা তত বার কিস
করব। ও এবার মুছতে যেয়েও মুছলনা। আমি
চলে গেলাম
তারা:
ওখানে বসে পরলাম।
আর ঠোট মুছতে লাগলাম।
চলবে.......


#বস+বয়ফ্রেন্ড
writer. moyej uddin
............৯.......­.......
মেঘ: সবাই শুন।
এইখানেই পার্টি শেষ করতে হচ্ছে। প্লিজ সবাই এখন ববাসায় যাও।
আমি তোমাদের কিছু দিন পর সবাইকে রেস্টুরেন্ট এ নয়ে যেয়ে খাওয়াব। ।
সবাই চলে গেল।
কিন্তু তারা এখন অইখানে রয়েছে। ভাব্লাম ওকে নিয়ে আসি।
মেঘ : তারা তারা????
।তারা: আপনি আবার এসেছেন কেন? ? এখন শখ মিটেনি আপনার? ??
মেঘ : কিছু বললাম না। চলো বাসায় চল। ।
তারা : আপনি যান।আমাকে নিয়ে ভাবতে হবেনা।
মেঘ : উঠো বলছি।
তারা : না হলে কি করবেন।
মেঘ : রাগ টা কে কন্ট্রোল করলাম। ।জোর করে হাত ধরে তুললাম।
তারা : ছাড়ুন আমাকে।
আমি আপনার সাথে যাবনা।
মেঘ : অকেন রাত হয়েছে। পাগলামি করনা। চল।
তারা : যাব না বলেছি যাব না ছাড়ুন। ।
মেঘ : আর উপায় না পেয়ে জোর করর কলে তুলে নিলাম।
তারা : ইচ্ছামত পিঠে বুকে ঘুসা দিচ্ছিলাম। ।
মেঘ : এই ঘুসি তে আমার কিচ্ছু হবেনা বাচ্চা মেয়ে।
তারা : কিহ আমি বাচ্চা। ছাড়ুন বলছি। ।
মেঘ : চুপ থাকবে।
নাকি অন্য উপায় চুপ করাব। সেটা তুমার ভাল লাগবেনা।
তারা : চুপ হয়ে গেলাম।
মেঘ : গাড়িতে বসিয়ে ববাসায় নিয়ে গেলাম।
তারা : ববাসায় যেতেই গাড়ি থেকে নেমে দোড়।
ববাসায় যেয়েই শাওয়ারে গেলাম। ।
কত ক্ষন ঝরনার নিছে ছিলাম যানিনা। ।
যতক্ষন ই ছিলাম সাবান দিয়ে বার বার ঠোট ধুচ্ছিলাম।
মা ডেকে ডেকে বের করল।
না খেয়েই ঘুমালাম।
মা : কিরে যাবিনা অফিস এ।
তারা : না মা যাবনা। আমার ছুটি। ।
মা: কখন ও ছুটি নিস নি আজ ছুটি? ? ।
তারা: মা যাও ত এত কথা ভাল লাগছেনা। ।
মা: আচ্ছা নাশতা খেয়ে যা।
তারা: আচ্ছা একটু পরে।
মা : আচ্ছা।
মেঘ : আজ ও আসেনি।
থাক রাগ কমুক।
তারা: আর যাবনা। যা খুশি করুক। অনেক সহ্য করেছি আর না।
আমি কি জিনিশ নাকি যা খুশি তাই করবে। ।
এইভাবে উনি ছি ছি।
ঠোট টা ছিঁড়ে ফেলে দিতে পারলে ভাল হত। ঘৃণা লাগছে নিজের উপর।
৪ দিন পর মেঘ : ও আজ ও আসলনা। ওকি তাহলে......তারাতাড়ি ওকে ফোন দিলাম।
তারা: রাক্ষস টা ফোন কেন দিচ্ছে। ।
মেঘ : এত ফোন দিচ্ছি তাও ও ধরছেনা। আমি খুব বড় ভুল করেছি।
আমি ওকে দেখতে না পেলে তো পাগল হয়ে যাবো।
কি উপায় ওকে ফেরাব।
কি করলে ও আমাকে মাফ করবে??? কি কি? ??
পেয়েছি।
অকে এস,এম,এস দিলাম।
তুমি যেহেতু আর অফিস আসবেই না ভেবেছ তাহলে আমার রিং টা ফেরত দিয়ে যাও। তারা: অই হারামি রাক্ষস এখন রিং ফেরত চায়। শয়তান পোলা।
আমার সাথে কি করছে সেটা ভাবলনা। বাট এইটা মনে রাখছে চাই না তোর রিং। দারা এখনি যাচ্ছি।
মেঘ : সবাই শুন আজ তোমাদের এইখানেই ছুটি।
আজ আর কাজ করতে হবেনা।
।you all can go now for today.
.
সবাই খুশি হয়ে চলে গেল।
মেঘ ; অরা থাক্লে তারা কে আটকান যাবেনা।
তারা: আরে এই সময় সবাই কই?? ।
মেঘ : তারা???
তারা: অমা উনি ফ্লরে বসে কি করে। এই নুন আপনার রিং। হাত বাড়ালাম। ।
মেঘ : হাত টা, ধরে... আমাকে মাফ করে দেও তারা। আমি ভুল করেছি।
প্লিজ ফিরে আসো।
তারা: আপনার কাছে আর এইখানে আমি আর আসতে চাই না।
আপনাকে আমি ঘৃণা করি। ছি।
মেঘ : যত পার বকো মারো তবুও আমার কাছে থাকো প্লিজ।
তারা: আমি গেলে হাজার আসবে। আপনাকে টেনশন করতে হবেনা।
মেঘ : তারা!!!!
তারা: রিং টা ছুড়ে দিয়ে চলে যাচ্ছিলাম উনি পথ আগলে দারালেন।
মেঘ : যেয়না তারা।
প্লিজ আমার কথাটা শুন প্লিজ তারা প্লিজ। অর সাথে পেরে উঠছিললাম না। অ চলে যাচ্ছে।
খুব কষ্টে ওকে টেবিল এর সাথে আটকে ধরে বলে দিলাম : ভালবাসি তোমাকে ।
তারা: আমি অবাক হয়ে গেলাম। কি বলে উনি। এটাও কি সম্ভব? ?
মেঘ: আমি যানি তুমি বাসোনা। বাস তে হবেও না। শুধু এইখানে থাক প্লিজ। আমি তোমাকে শুধু এইখানে দেখতে চাই। ।
তারা: উনার চোখে পানি টলট্টল করছে। উনি নিচে বসে আছেন মাথা নিছু করে। ।
মেঘ : তোমাকে কাজ করতে হবেনা। শুধু এসে বসে থাকবা। আমার বাসায় ও যেতে হবেনা। আমি তোমাকে ডাকবওনা। তোমার দিকে তাকাব অ না।
প্লিজ আমাকে ছেড়ে যেওনা।আমি সহ্য করতে পারবনা
তারা: কিছুই বলতে পারলাম না চলে গেলাম। এক বার পিছন ফিরে তাকালাম। উনি ওইভাবেই আছেন। ।
তারা: বাসায় তার কথা গুলা ভাবছি। রাতে ঘুম হয়না।
অসহ্য যন্ত্রনা লাগে।
আমি তাকে ভালবাসি কিনা জানিনা। নাহ বাসিনা বাসি না বাসিনা। ।
তারপর ও কেমন যেনো অস্থির লাগে। নাহ হার মানলাম নিজের কাছে। নাহ কাল থেকে আবার অফিস যাব।
।১ সপ্তাহ পর:
তারা: কিরে মিতু কেমন আছিস। ? ।
মিতু : আরে আপু তুমি? ?
কেমন আছ??
খবর না কেন তোমার।
সবাই নানা প্রশ্ন করল।
তারা : টেবিল এ বসলাম।
কি কাজ করব বুঝতে পারছিনা। উনি কি আসেনি।
তারা: মিতু উনি কি আসেনি?
মিতু : আর বলনা এখন ঠিক মত আসেনা। আস্লেও বেশি ক্ষন থাকেনা।
নতুন এক পি,এ রাখছে।
অই মাইয়া তার বাসায় যেয়ে সব কিছু দেখায় দিয়ে আসে।
ওই মেয়ে দিনের অর্ধেক সময় ই স্যার এর বাসায় থাকে। আর আমাদের কাছে এসে গল্প করে।
ঠাডায় দিতে মন চায়।
তারা: কেন??
মিতু : যানো না তো।
স্যার এর উপর লাইন মারে।
কথায় কথায় পারেনা স্যার এর উপরে যেয়ে পরে। ফাযিল মেয়ে।
তারা: হাতে রাখা কাগজ টা নিজের অজান্তেই ছিড়ে ফেললাম।
মিতু : আরে আরে কর কি??
তারা: ওহ সরি সরি।
মিতু : অই দেখো দেখো স্যার এর পিছন পিছন আসছে।
তারা: তাকালাম অইদিকে। উনি আমাকে দেখে একটু থামলেন পরে চলে গেলেন। ।
মিতু : দেখছ।?
তারা: হুম।
মেয়ে তো ভালই।
।( মনে মনে - ও এখন আমাকে না পেয়ে আরেকজন যুটাইছে?? আর আমি টেনশন এ মরতেছিলাম)
মিতু : আপু আপু দেখ ও এইখানে আসছে। ।
তারা: আসুক।
দোলা: আরে তুমি কে?? তমাকে ত এর আগে দেখি নাই।
তারস: আমি এইখানে অনেক দিন ধরেই জব করি। ছুটি তে ছিলাম।
দোলা : আমার নাম দোলা। নিউ পি.এ স্যার এর। আর তুমি?
তারা: আমি তারা।
উনি এখন আমার দিকে বেশি তাকায়না। কিছু দরকার হলে দোলা কে দিয়ে বলায়। আমার কেন যেনো সহ্য হচ্ছেনা। এই মেয়ে টা উনার সাথে আসে মাঝে মাঝে। ।
মাঝে মাঝে দেখি উনার উপর যেয়ে গা ঘেষতে। উনি সরে যান। কিন্তু আমার ত শরির জলে।
মন টা ছায় মেয়ের চুল ছিড়ে দেই। ।
উনি এখন মিটিং এ গেলেও ওই মেয়ে কে নিয়ে যায়। আমার আর সহ্য হচ্ছেনা। ।
অনেক দিন তো হল। উনি কি ভুলে গেছে এ অফিস এ আমিও আছি। এখন তার ভালবাসা কই গেল?? না মানে আমি তাকে বাসিনা কিন্তু সে তো বাসে।
অন্য মেয়ে কি করে তার সাথে। আজ কথা বলতেই হবে। গেলাম তার রুমে। ।
চলবে


#বস + বয়ফ্রেন্ড
writer. moyej uddin
..........১০..........
।।
রুমে ঢুকেই যা দেখলাম আমার চোখ খুলে
বেরিয়ে যাবে মনে হচ্ছে।
হাত থেকে ফাইল টা পরে গেল।
মেঘ : তুমি কি করছ এইখানে? ? কিছু
লাগবে? ?
ঠিক আছ??
তারা: না না ঠিক আছি।
।আমি যাই আপনারা থাকুন।
মেঘ : তারা শুন।
দারালাম আমি।
মেঘ : দোলা তুমি যাও।
দোলা: জি।
তারা : বলুন।
মেঘ : কিছু বলবে? .
তারা: যা দেখলাম আর কিছু বলার নেই।
।বাহ ভালই তো।
চালিয়ে যান। আগে আমি পরে দোলা। তার
পর যে আর কত আসবে আল্লাহ জানে।
মেঘ : তুমি ভুল ভাবছ।
ও শুধু আমার চোখের ময়লাটা
.....
তারা: থাক।
আর কথা বানাতে হবেনা।
ভালই। তাহলে এক জন যুটিয়ে ফেলেছেন।
মেঘ : মুখ সাম্লিয়ে কথা বল!!.
।তারা : আপনি করতে পারেন আর আমি
বলতেও পারব না। বাহ।
আপনি ওকে আমার মতই ছি।
মেঘ : তুমি ভুল ভাবছ তারা।
তারা : থাক যা দেখলাম তার পর আর কিছু
শুনতে চাইনা
মেঘ : ওকে ফাইন। তুমার যানতে শুনতে
হবেনা।
।আর আমি যদি ওর সাথে কিছু করেও থাকি
তুমার কি তাতে?
তুমি তো আর ভালবাসোনা আমাকে।।।।।
তারা: কিছু বলতে যেয়েও বলতে পারলাম্না।
কেও মনে হচ্ছে বুকে তির ছুড়ে মেরেছে।
অহ তাই তো।
অকে যা খুশি করেন। আমার আর কি।
মেঘ : তারা... দারাও।
তারা: চলে আসলাম।
কিছু ভাল লাগছিলনা।
বাসায় চলে যাব কিনা ভাবছি।
মেঘ : নাহহহ জিনিশ টা কি হল???
অ তো সব উল্টা নিল।
এমনি তে এত কষ্টে মেয়ে টা ফিরছে। আর সব
উল্টা হয়ে গেল্।
কিন্তু এক্টা জিনিশ ভাল হল।
ও দোলা কে দেখে jealous ফিল করছিল।
তার মানে ও আমাকে পছন্দ করা শুরু
করেছে? ??
তাহলে তো ব্যপার টা শিউর হতে হচ্ছে।
।cz jealousy is the first step of love.
.
মিতু তারা কই??
মিতু : ও কফি খেতে গেছে।
মেঘ : ওকে। দোলা দোলা।
দোলা :জি স্যার
মেঘ : চলো আমার সাথে ।
।দোলা কে নিয়ে কেন্টিন এ গেলাম।
অ বসে বসে কফি খাচ্ছে আর পেপার পরছে।
আমি ও কে শুনিয়ে শুনিয়ে, ,, দোলা তোমার
র আমার জন্য কফি আনো।
দোলা : জি।
তারা: কথা টা শুনে পেপার এর পাশ দিয়ে
একটু চাইলাম।
যা খুশি করুক আমার কি।
মেঘ : ওকে শুনিয়ে শুনিয়ে দোলা আমার কফি
টা ফু দিয়ে ঠান্ডা করে দেও ত।
তারা: এহ আমার সময় এ ত জিবনে ঠান্ডা
কফি খায়নাই।
আর এখন আদিক্ষেতা হচ্ছে।
মেঘ : আরে দোলা তুমার মুখে দাগ লেগেছে
আমি মুছে দিচ্ছি।
তারা : কিহ ওর মুখে হাত দিবে মানে।
মন চাচ্ছে হাত গুড়া করে দিয়ে আসি।
রোমান্স করবা ত বন্ধ রুমে কর না। এইখানে
কেন আমার সাসামনে। নাহ আর সহ্য হচ্ছেনা।
কিছু একটা করতে হবে।
।উনারা দারিয়ে দারিয়ে কফি খাচ্ছিল।
আমি পাশ দিয়ে যাবার সময় দিলাম
দোলাকে ধাক্কা কফি গিয়ে পরল স্যার এর
উপর। হাই হাই কি করলাম। করতে চাইলাম কি
আর হল কি।
দোলা : সরি স্যার এখনি মুছে দিচ্ছি।
তারা: দোলা মুছতে যাচ্ছিল আমি বললাম
থাক আমার জন্য পরছে আমি মুছবো।
দোলা তুমি সরো
মেঘ : না তুমাকে মুছতে হবেনা দোলা মুছবে
তুমি যাও।
তারা : কথাটা শুনে মনে হচ্ছিল কি যে করি।
চলে আস্লাম।
দেখলাম দোলা মিটমিটে হাসছে। এতো রাগ
লাগছিল না। হাহ।
মেঘ : তাহলে ঠিক যা ভেবেছি তাই হয়েছে।
তুমার মুখে দিয়েই বের করাবো। তুমি আমাকে
ভালবাসো।
দোলা তুমি যাও আমি মুছে নিতে পারব।
দোলা: কিন্তু স্যার।
স্যার : কন কিন্তু না। যাও কাজে
।।
মিতু : কি আপু রেগে আছ কেন কি হইছে? ?.
তারা: কিছু হয় নাই।।। মেজজ খারাপ।
।।
মিতু : কেনো।
তারা : জানিনা।
মিতু : ওমা সস্যার এর এই অবস্থা কেন।
তারা: কফি পরছে।
তুমি কমনে জাবলা।
আমি ই ফালাইছি।
কেনো?
চাইছিলাম দোলার উপর ফালাইতে পরলো
উনার উপর।
তাই রেগে আছ।
হুম।
সরি বলছ।
সরি বলবনা আর কত কিছু।
শয়তান ল্যোক্ আমি মুছে দিতে গেলাম বলে
নাকি দোলা মুছবে তুমি না।
অহ আচ্ছা এবার কাহিনি বুঝলাম।
কি? ?
তুমি তো দেখছি উনাকে পছন্দ করি।
আরে দুর তোর পছন্দ না ছাই।
তাই নাকি? ?
আপু ওই দেখ ড্রামা কুইন।
কি হিল পরছে দেখো।
ওইটা থেকে লাফ দিলে তো অ মারা যাবে।
এত উচা।
হ তাল গাছ হতে চায়।
তারা : আরে দারুন আইডিয়া পাইছি।ওর
অফিস আসা কিছু দিনের জন্য বন্ধ করা
যাবে।
মিতু : কিভাবে।
তারা: দারা ওই কলম গুলা দেতো।
মিতু : কি হবে
তারা: আরে দে না। দেখ কি করি।
কলম গুলা ফ্লরে রাখলাম।
দোলা একটু শুনে যাও।
দোলা : আসছি দারাও।
আমি আর মিতু কাজ করতে লাগ্লাম ।
পিছন থেকে ধপাশ করে শব্দ হল।
মিতু : আপু কাজ হয়েছে। দোলার পা গেছে।
আমরা ঘুরলাম মনের আনন্দে।
কিন্তু একি দোলা না পরছে তো স্যার।
তারাতাড়ি সবাই মিলে উনাকে তুলল।
তারা: অই মিতু কি হলরে।
উলটা হয়ে গেল কেন? ??
মিতু : তোমার দোষ আমি কি জানি।
সবাই তাকে কেবিন এ দিয়ে আসল।
ডাক্তার কে ফোন করা হল।
বেন্ডেজ করে দিয়ে গেল আর ওষধ দিয়ে
গেল।
আমি উনার রুমে গেলাম। দেখি দোলা
উনাকে ওষধ দেওয়ার চেষ্টা করছে উনি
খাচ্ছেনা।
।"
তারা: দোলা আমাকে দেও।
দোলা : কেন। আমি খাওয়াচ্ছি দেখছনা।
।তারা: উনি খাচ্ছেন না সেটাও দেখতে
পাচ্ছি।
জোর করে ওর হাত থেকে ওষধ নিয়ে নিলাম।
ওষধ খান।
মেঘ : না
তারা: মুখ ধরে জোর করে খাইয়ে দিলাম।
চুপ করে খেয়ে নিল।
মেঘ : তির টা ঠিক জায়গা তে লেগেছে।
আমি দেখেছিলাম তুমি কি করতে চাচ্ছ। তাই
ইচ্ছে করেই এটা করেছি।
তূমার জন্য পা ভাংতেও রাজি আমি।
কিন্তু ভালবাসি তোমাকে বলতেই হবে। (মনে
মনে)।
।মেঘ :
দোলা ড্রাইভার কে একটু ডাক দেও। বাসায়
যাব।
দোলা: জি স্যার
.
মেঘ : তারা তোমার ত এখন ভআআলই লাগছে।
আমি শাস্তি পেলাম।
তারা: আমি তো এমন কিছু বলিনি।
মেঘ : তারার মুখটা উচু করে ধরলাম। ওর চখে
পানি টলমল করছে।
কপালে চুমু দিতে নিচ্ছিলাম ওমনি দোলা
হাজির।।
মেঘ: তারাতাড়ি সরে গেলাম।
তারা উঠে গেগেল।
তারা& মেঘ: (মনে মনে এই মেয়ে আসার আর
সময় পেলনা)
মেঘ : বল।
দোলা: ড্রাইভার আসছে স্যার।
তারা চলে যাচ্ছিল।
ওকে শুনিয়ে শুনিয়ে বললাম: আমার তো
ববাসায় আপন বলতে কেও নেই। কে আর
দেখবে আমাকে। কাজের লোক কি আর
সেইভাবে খেয়াল রাখবে।আর কয় দিন যে
অফিস আসতে পারবনা আল্লাহ জানে।
দোলা: don't worry sir.
আমিতো আছি। আমি আপনার খেয়াল রাখব।
তারা: (মনে মনে হাহ রাখ, , ইচ্ছা মতো রাখ।
আমার কি? )
মেঘ : কিরে ওষধ একি কাজ হলনা। ও চলে
গেল কেন?
মা: তারা খেয়ে যা। খাবার ঠান্ডা হয়ে
যাচ্ছে।
তারা: খাব না। ভাল লাগছেনা।
মা : আজকাল যে তোর কি হয়েছে কিছুই
বুঝিনা।
তারা: বুঝতে হবেনা।
।আমার সুখ শান্তি মনে হয় পালায় গেছে।
খুজেও পাচ্ছিনা।
।"
মা : কি বললি।
তারা : কিছুনা। রাতের ঘুম আরেক জন কেরে
উনি এখন শান্তি তে আছে।
।মিনি কে কি ফোন দিব? ?
কি করছেন উনি জানতে।
না থাক। আবার না দিলে ঘুম ও আসবেনা।
দিলাম ফোন:
মিনি : অনেক দিন পর ফোন দিলেন কি
ব্যাপার।
তারা: কিছু ননা ববলে উনার কথা বললাম।
উনি কেমন আছে?? ওষধ খেয়েছেন?? ঘুমিয়ে
ছেন।
মিনি : কি আর বলব ওই যে দোলা স্যার এর
পি.এ মেয়ে তো স্যার এর হেভি সেবা করে
গেল।
এমিন একটা মেয়েই তো স্যার এর জন্য
দরকার।
তারা: ওহ আচ্ছা।
মিনি : স্যার আপনি যেভাবে বলেছেন ঠিক
সেভাবে বলেছি।
মেঘ : অকে যাও। আমি জানতাম তুমি ফোন
দিবা। তাই তো প্লান টা কষে রেখেছিলাম।
তারা: বাহ আমি টেনশন এ মরছি আর উনি তো
দেখি ভালই আছে।
আল্লাহ দরি ফালাও দোলাকে তুলে দেই।
পিচাশ মেয়ে।
মিতু : আপু রাতে ঘুমাওনাই। একি অবস্থা
চেহারার।
তারা; হুম ঘুম হয়নাই।
মিতু : স্যার এর কথা ভাবছিলে? ?
তারা : হুম। না না উনার কথা ভাববো কেন?
মিতু : তুমি কেন শিকার করে নিচ্ছনা যে
তুমি তাকে ভাল বাসো।
তারা: আমি কি করবরে। ওই দোলা হারামি
কাল কে উনার বাসায় গিয়েছিল।
উনার কাছা কাছি যাবার চেষ্টা করে। মন
চায়।
আমি কি করব বল। উনি তো আমাকে পাত্তা ঈ
দেয় না।
মিতু : আর তুমিও হাল ছেড়ে দিলে। পাগল
নাকি তুমি? ? মঙ্গল গ্রহ থেকে আসছ নাকি? ?
তারা: কিহ বললি।?
মিতু : শুন এখন প্রথম কাজ তুমি উনার বাসায়
যাবা।
তারা: কিছু মনে করলে।
মিতু : চুপচাপ শুন কি বলি।
অফিস টফিস বাদ। স্যার যত দিন না ঠিক হবে
তুমি উনার বাসায় উনার সেবা করবা। তুমি
কাছে থাকলে অই মেয়ে কিছু করতে
পারবেনা। বুঝলা??
তারা : হুম।
মিতু : বসে আছ কেন তাইলে। কনো শুভ লগ্নের
অপেক্ষায় আছ। দৌড় দেও।
তারা: আচ্ছা আচ্ছা।
স্যার এর বাসায় :
মিনি ; আরে ম্যাম অনেক দিন পর।
তারা: উনি কই?
মিনি : উপরে। অই মেয়েটা আসছে।
তারা: দোলা??
মিনি - হুম।
তারা: (মনে মনে কি চালু আমার আগেই এসে
গেছে দারাও মজা দেখাচ্ছি)।
মেঘ : তুমি আবার কেন আসছ দোলা।
দোলা: কি জ বলেন্না।
আপনি অসুস্থ আর আমি আসব না দেখতে।
মেঘ : ল্যাপটপ এ দেখলাম তারা আসছে। কথা
ঘুরাতে হবে।
তারা: ঘরে ঢুকব তখন শুনলাম স্যার বলছে '
এসেছ ভালই করেছ। আমার তো আর কেউ নেই
যে আমাকে দেখবে। '
তারা : দেখান বের করছি।
ঘরে ঢুকলাম।
মেঘ : আরে তারা তুমি।
তারা: তারা হ্যা আমি।
দেখতে আসলাম আপনাকে।
।মেঘ : তুমি কষ্ট করতে কেন গেলে। দোলাই
তো ছিল।
তারা: আমি আসলে কি ক্ষতি।
মেঘ : না তা কেন হবে।
।( মনে মনে তির ঠিক জায়গা মত লেগেছে)
দোলা: তুমি যাও আমি আছি স্যার এর কাছে।
তারা: তোমার কাছে শুনতে হবে যাব কি
যাবনা? ?"
মেঘ : খাইসেরে মহারানি খুব রেগে গেছে।
থামাতে হবে।
দোলা আমি পানি খাব এনে দেও।
দোলা: জি স্যার।
তারা; অকে যেতে বলুন।
আমি আপনাকে দেখব।
মেঘ : কেন??
তারা: এত কেন টেন জানিনা। অকে বাড়ি
পাঠান।
মেঘ ; বাহ একজন মানুষ পেলাম তাও তুমি
তাড়িয়ে দিচ্ছ? ?
তারা: আপনাকে আগে আমিই দেখেছি। এখন
আমি ই দেখব।
মেঘ : এখানে এসে বস আমার পাশে।
তারা: কেনো।
মেঘ : দেখলে তুমি শুধু কথা পেচাও। কিন্তু ও
তা করেনা। তাই তোমাকে আর কষ্ট করে
আমাকে দেখতে হবেনা।
তারা: আচ্ছা ঠিক আছে ও ই দেখুক। হাহ।
মেঘ : হাই হাই এখন কি হবে। চলে যাচ্ছে
থামাতে হবে। কি করি কি করি।
পাইছি। পা ধরে ব্যথায় আহ করে উঠলাম। ও
তারাতাড়ি এসে পাশে বসল।
তারা: পা ধরে কি হয়েছে কই ব্যথা।
মেঘ : আমি খোপ করে ওর হাত টা ধরে ওকে
কাছে টেনে নিলাম।
তারা: কি করছেন দোলা চলে আসবে।
মেঘ : আসুক। ওর মুখ টা টেনে কাছে আনলাম।
ও চোখ বন্ধ করে আছে।
ওর ঠোট ২টা কাঁপছিল।
কিস করতে যাব তখনি
দোলা: স্যার পানি এনেছি বলল। ওকে
সরিয়ে দিলাম।
তারা: ( মনে মনে এই মেয়ে রে আমি খুন করব
একদিন for sure)
.
মেঘ : হায় রে জ্বালা। আসার টাইম পাইলনা
( মনে মনে) । দোলা তুমি আজ যাও। আর হ্যা
তোমাকে আমি অফিস এর দায়িত্ব দিচ্ছি
অইখানে কি হচ্ছে আমাকে সব জানানো
তোমার কাজ।
দোলা: কিন্তু স্যার।
মেঘ : কোনো কিন্তু না। যা বলছি শুনো।
দোলা : জি স্যার।
তারা: উঠে যাচ্ছিলাম উনি হাত ধরলেন।
মেঘ : কোথায় যাচ্ছো?.
তারা: রান্না করতে। কিছু লাগলে ডাক
দিবেন।
মেঘ : হুম যাও।
চলবে.....

#বস + বয়ফ্রেন্ড
writer. moyej uddin
..........১১. ........
মেঘ : তারা! তারা!
তারা: কি ব্যপার উনার গলা না! উনি
এইভাবে ডাকছেন কেন। কিছু হল না তো।
তারাতাড়ি গেলাম।
কি হয়েছে কি হয়েছে।
মেঘ : তুমি হাপাচ্ছো কেন?? কি হয়েছে। ।
তারা: আপনি অইভাবে ডাকলেন কেন? ? কিছু
হয় নি তো।
মেঘ : তুমি আছ নাকি চেক করলাম। ।
তারা: কিহ। আর আমি ভাবলাম। দুরর।
মেঘ : আরে আরে কই যাও।
তারা : চলে যাই।
মেঘ : তাহলে কি দোলা কে ডাকব। ।
তারা: বলে যাই মানে রান্নাঘর এ যাই। ।
মেঘ : ও আচ্ছা আচ্ছা। যাও।
তারা: ফাযিল একটা।
কিছুক্ষন পর :
তারা: এই নিন।
।স্যুপ টা খেয়ে নিন।
মেঘ : ইস! যদি দোলা থাকত খাইয়ে দিত। ।
তারা: মন চাচ্ছিল স্যুপ টা তার মাথায় ঢেলে
দেই। না থাক।
তারা : এই নিন।
মেঘ : খাইয়ে দিচ্ছ।
তারা: হুম।
হঠাত দোলার ফোন স্যার এর ফোন এ। ।
উনি এক বার ফোন আরেক বার আমার দিকে
তাকাচ্ছে।
মেঘ : খাইছে। আর সময় পেলনা।
তারা: উনি ধরার আগেই আমি ফোন টা
নিলাম।
কিছু বলার আগেই
দোলা: স্যার ভাল আছেন এখন। অই মেয়ে
খেয়াল রাখছে তো নাকি আমি আসব।
তারা: তোমাকে আর আসতে হবেনা। আমি
আছি।
কাজে মন দেও।
দরকার ছাড়া ফোন দিবানা।
দোলা : হুহ।
কেটে গেল।
মেঘ : কি হল এটা।
তারা : আপনি ঘুমান।
মেঘ : কি করে ঘুমাব।
তারা : চোখ বন্ধ করে।
মেঘ : গরম লাগছে তো।
তারা: এ.সি ছাড়াই তো।
মেঘ : শাওয়ার না নিলে ঘুম হবেনা। ।
তারা: তো যান।
মেঘ : কানা নাকি আর আমার পা এর কি
হবে।
তারা : তো বলছেন কেন।
মেঘ : বলছিলাম কি তুমি যদি...
তারা: আমি কি? ? কি সব বাজে চিন্তা। ।
মেঘ : জি না মটেও না।
তুমি পানি আনো
আমি স্পঞ্জ দিয়ে গা মুছব।
.
তারা: ঠিক আছে।
মেঘ : এই মেয়ে তো অনেক চালাক ভাবলাম
মজা নিব তার আগেই ধরে ফেলেছে। ।
তারা: নিন।
মেঘ : হুম। এখন কি এইখানেই দারায় থাকবা
নাকি যাবা।
তারা: যাচ্ছি।
মেঘ : আহা এখন যদি দোলা থাকতো। ।
তারা: আপনি আবার ওর কথা বলছেন। ।
মেঘ : তুমাকে তো আর বলিনি।
তারা: দেন আমার কাছে দেন। মনে মনে যত
রকম গালি পারি ওই দোলার নামে দিয়ে
দিলাম হাহ।
শার্ট খুলব লজ্জা ও লাগছে। ।
আপনি চেয়ে চেয়ে কি দেখেন। চোখ বন্ধ
করুন।
মেঘ : আচ্ছা আচ্ছা।
তারা: বাটন গুলা খুলছিলাম অন্য দিকে
তাকিয়ে।
উফফ কি অসহ্য। এতো লজ্জা লাগছে। ।
মেঘ : তুমি লাল হয়ে যাচ্ছ কেন। ।
তারা: আপনি তাকিয়ে ছেন কেন?
মেঘ : আচ্ছা আচ্ছা বন্ধ করছি। ।
তারা: মুছে দিচ্ছিলাম হাত, বুক। ।
মেঘ : তারা!!!
তারা : হুম।
মেঘ : আস্তে করে ওর ডান গালে চুমু দিলাম।
ও আরও লাল হয়ে যাচ্ছে। পরে বাম টা তে।
শেষ এ কপালে।
ঠোটে যেই দিতে যাব ওমনি মিনি : স্যার
এইটা... সরি স্যার সরি স্যার আমি কিছু
দেখিনি।
।।
মেঘ: আরে তারা দাড়াও লজ্জা পাইছে। কি
হয়েছে মিনি।
মিনি : না মানে আজ কে আমাকে একটু ছুটি
দিতে হবে।
মেঘ : আচ্ছা যাও।
তারা: উফফ মিনি দেখে ফেলল।
মিনি : ম্যাম স্যার ডাকছে আপনি যান। আর
আজ আমার ছুটি।
আর ডিস্টার্ব করবনা ।
তারা: আমতা আমতা করতে লাগলাম । ।
আপনি এমন কেন ?
মেঘ ; কেমন।
তারা: নাহ কিছুনা।
শুনুন আমি একটু মার্কেট এ যাব। ।
মেঘ : কি দরকার।
তারা: কিছু কিনার আছে। আপনার কিছু ওষধ
আর আরো কিছু। আপনাকে এখন এতো কিছু
বলতে পারবনা। যাই।
মেঘ : শুনো। এইটা নেও।
এই কারড টা নেও। পিন কোড ফোন এ
পাঠাচ্ছি।
আর ড্রাইভার কে বল ও নিয়ে যাবে। ।
তারা: হুম।
ফিরতে ফিরতে এতো দেরি হয়ে গেল। কখন
রাতের রান্না করব।
কিরে ববাসায় কে আসছে??
তাড়াতাড়ি রুমে গেলাম দেখি দোলা। ।
তারা: এইখানে কি কর।
মেঘ : তারা যাও তুমি আমি কথা বলছি। ।
তারা: কেন যাব।
মেঘ ধমক দিয়ে) তারা যেতে বলেছি। ।
তারা: খুব কাদতে ইচ্ছা করছিল। কন্ট্রোল
করে চলে আসলাম।
দোলা : স্যার আমি এখন আসি। আমি সব
বুঝতে পেরেছি। তারা খুব ভাল আমি যানি।
আপনারা ভাল থাকবেন।
আর কিছু হেল্প লাগলে এই ব্যপারে আমি
আছি আপনার সাথে।
মেঘ : হুম। যাও।
তারা: আমি চলে যাচ্ছি। আপনি দোলা কে
ডাকুন। ও ই আপনাকে দেখুক।
মেঘ : তাই নাকি।
তারা: হ্যা তাইই।
মেঘ : ঠিক আছে যাও আগে ১ গ্লাস পানি
আনো আমি খাব।
তারপর দেখছি।
তারা: নিন।
মেঘ : বসো।
ও আমাকে শুধু এই ফাইল টা দেওয়ার জন্য
এসেছিল।
তুমি খারাপ ব্যবহার করছিলে তাই যেতে
বলেছি।
তারা: মাথা নিচু করে কাদছিলাম। ।
মেঘ : হাই হাই তুমি কাদতেও পার। ।
হাহাহা।চোখের পানি মুছে দিলাম।k কপালে
চুমু দিলাম ।
তারা; উনাকে রাতের খাবার খাইয়ে বাসায়
আসলাম।
।কিছুতে মন লাগছেনা।
মন তো উনার কাছে।
সকালে:
tara:আরে আপনি এইখানে কি করেন। বিছানা
থেকে ঊঠেছেন কেন?? মেঘ আমায় বাগানে
নিয়ে যাও প্লিজ ঘরে আর ভাল :লাগছেনা। ।
তারা: চলুন।
।আস্তে আস্তে।
মেঘ: আরে আমি এখন ঠিক আছি।
তারা: এইখানে বসুন।
মেঘ : কফি খাওয়াবে. ?
তারা : আনছি
মেঘ : কি করব?? এফ,বি টা একটু চেক করি। ।
তারা: কি করছেন।
মেঘ : কেন??
.
তারা : ফোন এ কি দেখেন
মেঘ : দোলার প্রোফাইল দেখি। ।
তারা : কিহ ফোন টা কেরে নিলাম। দেখি
উনি অন্য প্রজেক্ট এর ইমেইল দেখছে। ।
আপনি মিথ্যা বললেন কেন?
দেখলাম তুমি কি কর?
তারা: ভাল হচ্ছে না কিন্তু। ।
মেঘ : আজব মেয়ে এখন কাদবা নাকি ।?? ।
তারা: নিন আপনার কফি।
মেঘ: অখানে রাখ।
আরে আরে চলে যাচ্ছ কেনো।
আমাকে কম্পানি দেও বসে বসে। ।
তারা : পাশে বসলাম।
মেঘ : এতো দুরে??
আচ্ছা আমিই কাছে আসছি।
:পাশ ঘেষে বসলাম।
তারস: কি আজব মানুষ পাশে বসে আছি তাও
উনি ফোন এ কাজ করে যাচ্ছেন। দুর আমি আর
কি করবো।
ফোন বের করে গান শুনতে লাগলাম। ।
মেঘ : তারা গান বন্ধ কর আমি কাজ করছি। ।
তারা: আমি তো কি করব? ? বসে বসে আর
ভালি লাগছেনা।
আমি রুমে গেলাম।
মেঘ : যাও । আমি কাজ করে আসছি। ।
তারা: হুম।
এই লোক টা না উফফফ।
দারিয়ে তাকিয়ে থাকলাম কিছু ক্ষন। ।
মেঘ : কিছু বলবে??
তারা :: নাহ যাচ্ছি।
এই সাত সকালে আর কি করব এখন। ।
দুর ভাল লাগছেনা।
টি,ভি দেখতেও ভাল লাগছেনা। ।
দেখে আসি উনি কি করে।
ওমা এখন কাজ কিরছে। হাহ।
মেঘ : কি ব্যপার আবার আসলে যে। ।
তারা: কি বলি এখন।
হুম আমি ice-cream খাব।
মেঘ : এই সকাল সকাল? ?
তারা: হুম।
মেঘ ; রহিম কে বল ও এনে দিবে। ।
মিনিট পর:
তারা: এই নিন।
মেঘ: আমি খাবনা।
তারা : পরে চাইলে কিন্তু দিবনা। ।
মেঘ : ঠিক আছে।
বাচ্চা দের মতো খাচ্ছে।
গালে মেখে বসে আছে তার কনো খবর নাই। ।
মেঘ : তারা ?
এই দিকে তাকাও তো।
তারা: হুম বলুন।
কি ব্যপার উনি কাছে আসছেন কেন।?? ভয়ে
ভয়ে
ice-cream খা.......বে......ন নাকি? ?
মেঘ ; হুম খাব কিন্তু অর গালে লেগে থাকা
ice-cream টা খেয়ে বললাম এই টা।
তারা আবার লজ্জা তে লাল হয়ে যাচ্ছে। ।
হাত দিয়ে মুখ টা ঘুরিয়ে থোতায় লাগা ice-
cream টুকু ও খেয়ে নিলাম।
ওর ঠোট টা খুব কাছাকাছি আমার। ভাবলাম
অই খানে লেগে থাকা ice-cream টুকু ও খেয়ে
নিই যখনি খেতে যাব তখনি তারা দিল দোড়।
তারা: ও রে বাবা বেছে গেছি। মেঘ : এইটা
কি হল??
যখনি কিস করতে যাই কিছু না কিছু হয়ে যায়।
বিকাল:
তারা : রাতের রান্না টা এখনি করর ফেলি।
তারপর তারাতারি বাসায় যেতে পারব । ।
ও মা একি এখন অসময় বৃষ্টি।
অনেক দিন ভিজি না। আজ ভিজি। উনি
ঘুমাচ্ছে ভাল হবে।
জেগে থাক্লে নির্ঘাত মানা করতো। ।
মেঘ : কিরে তারা কই? বাইরে যাইনি তো।
বলা তো যায় না।
তারা? তারা?
ওমা এই মেয়ে বাইরে ভিজছে।
এই এই?? ঠান্ডা লেগে যাবে।
তারা: লাগবেনা।
আপনি ঘরে যান।
বেশি বুঝনা ঘরে আস।
তারা : না না।
মেঘ : শেষ বারের মোতো বলছি আস। ।
তারা : না না।
মেঘ : দারাও মজা দেখাচ্ছি।
তারা : আরে আরে আপনি আসছেন কেনো। ।
মেঘ : হাত ধরে চলো চলো।
তারা : ছাড়ুন আমি যাবনা। ।মেঘ : নাহ কথা
শুনে না মেয়ে টা কোলে তুলে নিলাম।
।তারা : আপনি খুব খারাপ। খুব খুব। ।
মেঘ : ভাল।
তারা : আপনি ও ত ভিজে গেলেন। ।
মেঘ : তোমার জন্য হল।
তারা : কি হল কই নিচ্ছেন নামান এইখানে। ।
মেঘ : উহু।
তারা : উনি এইভাবে চেয়ে আছেন কেন
লজ্জা লাগে আমার বুঝে না।
মেঘ : তারা কে রুমে নিয়ে গেলাম। বারান্দা
তে নিয়ে লামালাম। মাথা নিচু করে দারিয়ে
আছে। বৃষ্টিতে ভিজে ওর সৌন্দর্য যেনো
আর বেড়ে গেছে। ।
অর ভিজা চুল গুলা মুখ থেকে সরিয়ে দিলাম।
তারা: আমি তার হাতের সপ্শ পাচ্ছি আমার
গালে। আমি চোখ বন্ধ করে অনুভব করতে
পারছি।
আমি চোখ খুলে তার দিকে তাকালাম। ।উনি
তাকিয়ে আছে আমার দিকে। উনি একবার
তার ঠোট ২ টা আমার দিকে এনে আবার
তাকালেন আমার দিকে হয়ত ভাবছে তখন
কার মতো আবার পালিয়ে যাই কিনা।
নাহ এখন আর পালানো এর শক্তি পাচ্ছিনা।
অন্য কিছু অনুভব হচ্ছে মনের ভেতরে। ।
মেঘ : অর দিকে যখন তাকালাম ও চোখ বন্ধ
করল। পায়ে ভর দিয়ে একটু উচু হল তাহলে ওর
সম্মতি আছে। আমাকে বাধা দিচ্ছেনা।
আমি ওর মুখ আরেক্টু উচু করে ঠোট এর কাছে
ঠোট আগালাম।
তখনি ঘটলো অঘটন।
আমার ফোন বেজে উঠল।
তারা ভয়ে কেপে উঠল।
মেঘ : হায় রে কপাল মন্দ হলে যা হয় আরকি। ।
এই দু:খ আর কারে বলি।
মেঘ : তুমি জামা টা চেঞ্জ কর আমি কথা
বলে আসছি।
তারা: হুহ। জামা চেঞ্জ কর জামা কই পাব
এখন???
উনার বাসায় এখন জামা পাই কি করে।
মিনি : ম্যাম এটা নিন।
তারা: কে দিল?? তোমার এটা??
।মিনি : নাহ। স্যার দিল।
তারা: উনি কই পেল এটা??
আমার জন্য এনেছেন নাকি??
যাই হক। পরার দরকার পরি।
মেঘ : জামা তো আমার চেঞ্জ করা দরকার। ।
আগে চেঞ্জ করে আসি।
ঘরে ডুকেই
তারা: দিল এক চিতকার।
মেঘ : সরি সরি ভুল হয়ে গেছে। তারাতাড়ি
বের হলাম।
উফফ নক করা দরকার ছিল।
আমি ত ভুলেই গেছিলাম অ অই রুমে। ।
তারা: ছি ছি উনি তোয়ালে তে আমাকে
দেখলেন। এএএএএএ। তারাতাড়ি জামা
পরলাম।
কিরে চেইন লাগেনা কেন?
মিনি! মিনি।
মেঘ : অ বাসায় গেছে।
তারা : এত বৃষ্টির মাঝে??
মেঘ : হুম।
তোমার কিছু লাগবে? ?
তারা: না মানে ইয়ে মানে।
মেঘ ; আমি জামা চেঞ্জ করব। ঠান্ডা
লাগছে তুমি বের হউ তো। ।
তারা : আসলেই তো আমি ভুলে গেছিলাম!
ওড়না টা ভাল মত পেচিয়ে বাইরে গেলাম। ।
নিচে নেমে নিচের ঘরের বারান্দা তে
দারিয়ে আছি।
ঠান্ডা হাওয়াতে খুব ভাল লাগছে। ।
মেঘ ; তারা! !
তারা : সাথে সাথে ঘুরে দারালাম। জি।
মেঘ : কিছু ভুলে যাচ্ছ।
তারা : কি??
মেঘ : ওর কাছে একটু এগিয়ে গেলাম। ও ভয়
পেল একটু।
পিছনে ঘুড়লাম ওকে। চুল গুলা সরিয়ে সাম্নে
দিয়ে দিলাম।
চেইন টা বন্ধ করলাম।
ওকে জরিয়ে ধরে ঘাড়ে একটা চুমু দিলাম। ।ও
কেপে উঠল।
ঘুরে আমাকে জড়িয়ে ধরল।
আমি অর কপালে আকটা চুমু দিলাম। ।
দারিয়ে থাকলাম এইভাবে।
আর মনে মনে বললাম ভালবাসি ভালবাসি।
কিন্তু তুমি কবে বলবে।
আমি জানি তুমিও বাসো। কিন্তু আমি
তোমার মুখ থেকে শুনতে চাই। ।
তারা : ( মনে মনে কতো বার বলেছি
ভালবাসি ভালবাসি)।কিন্তু মুখে কি করে
বলব!!!!
বৃষ্টি থামার নাম নিচ্ছে না। তাই গাড়িতে
উনি আমাকে ববাসায় নামিয়ে দিয়ে
গেলেন।
শুয়ে শুয়ে তার কথা ভাবছি। এখন এটাই আমার
কাজ।
কিসের কথা ভেবে একটু লজ্জা পাচ্ছি। ।
হাত দিয়ে মুখ ঢাকছি।
ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে গেলাম। ।
চলবে....


#বস+বয়ফ্রেন্ড
writer. moyej uddin
.......১২ & শেষ .......
১ সপ্তাহ পর উনি ভাল হলেন।
আবার অফিস এ আমরা যেতে লাগলাম। মেঘ :
তারার মুখ থেকে ভালবাসি কথাটা এখন বের
করতে পারলাম্না দোলা কি করা যায়।
দোলা: খুব সহজ হবে বলে স্যার মনে হয়না। ।
তবে ওকে আরো জেলাস ফিল করাতে হবে
তাজলে মুখ খুলতে পারে।
মেঘ : হুম। তাহলে কাজে লেগে পড়ো। ।
দোলা: ইয়েস স্যার।
প্লান কষে নিলাম এখন কাজ করা শুরু। ।
তারা: কিরে মিতু ওই মেয়ে স্যার এর রুমে
গেছে তো গেছেই বের তো হয় না। ।
মিতু : এত টেনশন নিয়ো না ত।
কিরে দোলা আর স্যার হাসতে হাসতে রুম
থেকে বের হয়ে কথায় যায়। মিতু চল পিছু
নেই।
মিতু : পাগল হইছ।
তারা: হুম হইছি। চল।
মেঘ : ও পিছু নিয়েছে।
দোলা : জি স্যার।
কাজ হয়ে গেছে।।
।।
মিতু: আপি তুমিও ফাসবা আবার আমাকেও
ফাঁসাবা।
তারা : তুই চুপ করত
পরে যা হবে দেখা যাবে।
ওই দেখ অরা ওই রেস্টুরেন্ট এ যাচ্ছে চল চল।
মেঘ : দোলা তারাকি দেখছে? ?
দোলা : জি স্যার দেখেছে। এইখানেই
আসছে
মেঘ : তাহলে কাজ শুরু করে দেও। ।
তারা: শুন মিতু আআমারা এইখানে বসি স্যার
দেখতে পারবেনা।
মিতু : হুম হুম।
মেঘ : তারা কে শুনিয়ে শুনিয়ে ' দোলা তুমি
কি খাবা? ?
তারা: ( হাহ আমারে তো কখন বলে নাই আমি
কি খেতে চাই।দেখ ওর টা জানতে চাচ্ছে। )
দোলা: চকলেট ice-cream
.
মেঘ ; ওকে।
কিছুক্ষন পর:
ওয়েটার : এই নিন আপনাদের ice-cream ।
দোলা: স্যার আপনি কাজ করছেন তাহলে
আপনাকে খাইয়ে দেই।
তারা : কিহ খাইয়ে দিবে মানে। দারা মজা
দেখাচ্ছি।
মিতু : আরে আরে কি কর স্যার দেখে ফেলবে
তো।
বসো চুপ করে
তারা : মন টা চায় ওইটা রে উস্টা মারি। ।
মেঘ : কি রিএকশ্ন দোলা??
দোলা: খুব রেগে গেছে।
কাজ হচ্ছে তাহলে।
তারা: মিতু আমি আর নিতে পারছিনা। ।চল
আমার সাথে।
মিতু : আরে কই যাচ্ছ।
তারা : আয় ত আগে।
উনাদের সামনে যেয়ে বললাম আরে স্যার,
দোলা তোমরা এইখানে??
দোলা : হুম।
তা তোমরা এইখানে কি করো।
তারা : ওহ আজ মিতুর জন্ম দিন তাই আমাকে
খাওয়াতে নিয়ে আসছে।
মিতু : আমার জন্ম দিন!!!!?আর আমি নিজেই
জানিনা! !!
তারা : চুপ কর।
আজ তোর জন্ম দিন।
মেঘ : অহহ happy birthday mitu
তারা: আপনারা আমাদের জয়েন করেন। ।
দোলা : নাহ আমরা এখন অন্য জায়গা তে
যাব।
তারা : কই?
মেঘ : তুমি জেনে কি করবা?
তারা : না মানে। কিছুনা।
মেঘ : চল দোলা।
তারা : মিতু চল চল পিছু নিতে হবে। ।
মিতু : পারবনা তুমি যাও।
তারা : প্লিজ।
মিতু : আচ্ছা আচ্ছা।
তারা: দেখ দেখ অরা পার্ক
এ যাচ্ছে। চল চল।
মেঘ : দোলা এইখানে বস যাতে অ দেখতে
পারে।
দোলা : স্যার আপনার হাত ধরি?? ।
মেঘ : কেন?
দোলা: ডোজ বারাতে হবে। যেন তারাতাড়ি
কাজ করে।
তারা : দেখ দেখ হাত ধরছে। আমি অর হাত
ভেংগে দিব।
মিতু : ওর হাত ভাংবা ভাল কথা কিন্তু আমার
হাতের ১৪ কেন বাজাচ্ছ।
তারা : অহ সরি সরি।
মেঘ : চল যাওয়া যাক আজকের মত কাজ শেষ।
দোলা : জি।
তারা : চল আমরাও যাই।
পরের দিন:
মিতু : আপি ফাইল টা তে স্যার এর সাইন
লাগবে নেও করে আনো
তারা : আমি কেন যাব তুই যা।
মিতু : উফফ তুমি গেলে দেখতে পারবে স্যার
কি করছে।
তারা : ওহ তাই ত।
তারা : আসবো?
মেঘ : হুম।
তারা : রুমে 'গিয়ে দেখি উনি ফোন
দেখছেন।
ফাইল টা ঠাস করে টেবিল এ রাখলাম। ।
মেঘ : এটা কি হল।
তারা : কি হল আবার কি।
।ভালই তো ঘুরে বেরাচ্ছেন।
মেঘ : তুমি কি জলছো নাকি। ।তারা : আমি
জলতে যাব কেন হুহ। ।বলে চলে আসলাম।
অফিস শেষ এ
বাসায় যাওয়ার জন্য নামলাম ।রিক্সা এর
জন্য দারিয়ে আছি।
মেঘ : কি কর তারা?
তারা : দেখছেন না?
।মেঘ : বাসায় যাবা? ?
তারা : হুম
মেঘ : গাড়ি তে উঠো।
।তারা : নাহ লাগবেনা।
।মেঘ : তোমাকে বলিনি দোলা কে বলেছি। ।
তারা : পছনে চেয়ে দেখি দোলা দারিয়ে।
( মনে মনে এত বড় অপমান)
দোলা গাড়িতে উঠে চলে গেল।
তারা : দেখছিস মিতু কি করল উনি এটা। ।
মিতু : ভাল করেছে।
আগে পাত্তা দেও নাই এখন বুঝ। ।
তারা : তুই ও আমাকে শেষ মেস এই কথা
বললি।
আমি চাকরি ই ছেড়ে দিব যাহ।
মিতু : অফ যাও বুঝলা।
আমি এখন বাসায় গেলাম তুমিও যাও। ।
তারা : বিছানায় বসে বসে ভাবছি কি করা
যায় এখন।
এতো দিন সেবা করে ভাল করলাম আমি আর
আমাকে রেখে উনি থাকবে ওই দোলার
সাথে হতেই পারে না। কিছু তো একটা করতে
হবে।
কিন্তু করব টা কি???
উনি তো রনি কে আমার সাথে দেখতে সহ্য
করতে পারেনা হুম পাইছি।
অফিস :
তারা : উনার অপেক্ষায় আছি আসলেই কাজ
শুরু করে দিব।
আসছে আসছে।
তারা : রনি চলো কাজ শেষ এ আজ ঘুরে
আসি।
কথাটা শুনে উনি একটু দারালেন। ।
রনি : ওকে চলো।
তারা : দেখলাম একটু রাগ হয়ে রুমে গেলেন। ।
কাজ হয়ে গেছে।
মেঘ : হাই হাই সব উল্টা হয়ে যাবে না তো
আবার।
কই যায় দেখিত।
ওরা পার্কে কি করে।
উফফ কি অসহ্য
তারা : আরে আপনি কি করেন তাও একা
একা??
রনি : স্যার আপনি?
মেঘ : নাহ এমনি এসেছিলাম। তোমরা কি কর।
তারা : হাটছিলাম
এখন বাসায় যাব।
যাক কাজ হচ্ছে।
পরের দিন:
মেঘ : আমি আমার বাসায় একটা পার্টি
রেখেছি কাল সন্ধ্যায় তোমরা সবাই আসবে।
আজ আর কাজ করতে হবেনা ছুটি তোমাদের।
দোলা চলো আমাকে একটু হেল্প করবে। ।
তারা : আমাকেও তো বলতে পারতেন কিন্তু
নাহ। হাহ।
পরের দিন সন্ধ্যায় :::
তারা : উফফ কি পরব কিছুই ত পাইনা ।
মেঘ : আজ তারা হয় তুমি বলবা নাহয় আমি
বলে দিব । কিন্তু ওই রনির কাছে যেতে
দিবনা তোমাকে।
তারা : আজ হয় আপনি বলবেন না হয় আমি বলব
mr.মেঘ। হাহ।
তারা : স্যার এর বাসায় আসলাম। দেখি সবাই
হাজির। কিন্তু দোলা নেই। ভাবলাম এই ত্য
সুযোগ।
স্যার কই??
মেঘ : উপর থেকে তারা কে দেখছি শাড়ি তে
খুব সুন্দর লাগছে।
লম্বা চুল গুল খুলে রেখেছে। বাতাসে
সামনের চুল গুলা মুখে এসে পরছে। মনে
চাচ্ছে হাত দিয়ে সরিয়ে দেই। ।
নিচে নামলাম।
তারা : ওই যে উনি। কাছে যাব তোখনি
দোলা আসল। স্যার এর কাছে দাড়ালো। ।
দোলা : স্যার আজ কিন্তু তারার মুখ খুলাতেই
হবে।
মেঘ : হ্যা কিন্তু কি করে।
রনি : দেখো সবাই যার যার মত মজা করছে
তুমি কেন দারিয়ে আছ তারা? ?
তারা : ভাল লাগছেনা তাই।
মেঘ : ওই রনি আবার কি করে ওর সাথে। ।
তারা : দোলা শয়তান কি করে উনার সাথে। ।
তারা : রনি আমি একটু আসছি তুমি থাকো। ।
তারা : স্যার একটু শুনুন।
দোলা : নাহ স্যার এর সময় নাই এখন স্যার
আমার সাথে সবার মতো ডান্স করবে। বলেই
স্যার এর হাত ধরে নিয়ে এলাম। ।
মেঘ : এটা কি হল।
দোলা : লাস্ট ডোজ।
তারা : এত বড় সাহস মিতু দেখ অর সাথে উনি
ডান্স করছেন।
মেঘ : দোলা এটা কি করলে।
তুমি আমার গালে???
তারা : আমি হা হয়ে গেলাম দোলা স্যার এর
গালে কিস দিসে।
মেঘ : দোলা এটা ঠিক করলে না। ।
দোলা : আরে স্যার কাজ হয়ে গেছে দেখুন
তারা এগিয়ে আসছে এখন মুখ খুলবেই। ।
তারা : কাছে গিয়ে হাত ধরর টান তে টানতে
স্যার কে উপরে নিয়ে গেলাম। ।
তারা : এটা কি হল।
মেঘ : কি হল?
দোলা এটা কি করল।
:যাই করুক বেশ
করেছে তোমার কি তাতে ??
তুমি তো আর আমাকে ভালবাসোনা। । তারা :
.......
মেঘ : চুপ করে আছ কেন। ওকে গেলাম । তারা
: স্যার এর টাই ধরে ঠোটে কিস করে দিলাম।
মেঘ : চোখ কপালে উঠোলল
।তারা : তাকে ছেড়ে মুখ নিচু করে রাখলাম।
।মেঘ : এবার তো বল
তারা : জরিয়ে ধরে বললাম ভালবাসি
ভালবাসি। ।
মেঘ : আমিও ভালবাসি শুধু তোমায়। । ।
।শেষ।
সবাই কে ধন্যবাদ যারা যারা গল্পটা পড়েছ।

No comments:

Post a Comment

অদৃশ্য পরী

  ----দেবর সাহেব, তো বিয়ে করবে কবে? বয়স তো কম হলোনা ৷ ----আপনার মত সুন্দরী কাউকে পেলে বিয়েটা শীঘ্রই করে ফেলতাম ৷ -----সমস্যা নাই তো, আমা...